28/08/2022
শুভ জন্মদিন ইয়র্কার মাস্টার... 🎂
বলে আলতো চুমু খেয়ে ঝাঁকড়া চুল দোলাতে দোলাতে প্রথা বিরোধী রাউন্ড আর্ম অ্যাকশনে বল ছুড়ছেন আম্পায়ারের ঠিক সামনে থেকে। কি দারুণ গতি, সাথে ভেরিয়েশন, পায়ের গোড়ালিতে ইয়র্কার! টিভি কিংবা জায়েন্ট স্কীনের সামনে উপভোগ করা কোটি ফ্যানরা নিতান্ত নির্বাক! এই কি বল, কেমন এই অ্যাকশন! এভাবেও কি বল করা যায়?
হ্যাঁ করা যায়, করে দেখিয়েছেন একজন, স্লিঙ্গা মালিঙ্গা।
মালিঙ্গা নামটা শুনলে মনের মধ্যে একটা বুনো ব্যাপার ঘটে যায়। ঝাঁকড়া বর্ণিল চুল, বাকি সব পেসারদের চেয়ে প্রায় একেবারে আলাদা অ্যাকশন, ভীষণ গতি আর শেষ পাতে ইয়র্কার। ক্যারিয়ারের শেষের দিকে গতি কমলেও ইয়র্কারের ধার কমেনি এতটুকু। ম্যাচের যে কোনো সময় নতুন-পুরোনো যে কোনো বলে টানা ইয়র্কার মারতে পারার অবিশ্বাস্য দক্ষতাটুকুই মালিঙ্গাকে আলাদা জায়গা দিয়েছে সংক্ষিপ্ত সংস্করণে কিংবদন্তি পেসারদের ইতিহাসে।
পরিসংখ্যান টানতে গেলে তো কত কি দেওয়া যায়। কিন্তু দিন শেষে কিংবা ম্যাচ শেষে মানুষ পরিসংখ্যানের হিসেব আর কতটুকু রাখে? যতটুকু মনে থাকে তা হলো পারফরম্যান্স। হয়তো ঠিক একইভাবে কোনো পেসার ডেথ ওভারে টানা কয়েকটি ইয়র্কার দিলে ধারাভাষ্যকারের কণ্ঠে ফিরবে মালিঙ্গার স্মৃতি। কেউ টানা তিন ইয়র্কার দিয়ে হ্যাটট্রিক করলে, বা বর্ণিল-বাহারী চুল ঝাঁকিয়ে বল করলে, আমাদের মত দর্শক থেকে ধারাভাষ্যকার আনমনে উত্তেজিত কণ্ঠে হয়তো বলে ফেলবে..আরে এ তো দেখি আরেক মালিঙ্গা!
কিংবদন্তিরা এভাবে বেঁচে থাকে। মালিঙ্গাও এভাবেই বাঁচবেন। শুধু লঙ্কায় নয়, পুরো বিশ্বজুড়ে। ❤️
শুভ জন্মদিন ইয়র্কার মাস্টার স্লিঙ্গা মালিঙ্গা। 🎂