Fifa world cup

Fifa world cup fifa world cup all news are here.

15/06/2019

****কোপা আমেরিকা ***
ম্যাচ নং:(১)
#ব্রাজিল_বনাম_বলিভিয়া
ফুল টাইম......
ব্রাজিল ৩-০ বলিভিয়া
কোতিনহো ২
এভারটন ১

15/06/2019

কোপা আমেরিকা....
প্রথম ম্যাচ:
#ব্রাজিল_বনাম_ভলিভিয়া
ব্রাজিল ২-০ ভলিভিয়া

সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার লড়াইয়ে নয় দলকে বিশ্বকাপে সাহায্য করাতেই মনোযোগ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড গাব্রিয়েল...
15/06/2018

সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার লড়াইয়ে নয় দলকে বিশ্বকাপে সাহায্য করাতেই মনোযোগ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড গাব্রিয়েল জেসুস।

প্রতিবার এর ন্যায় এবারও ফিফা বিশ্বকাপ এর সাগতিক দল জয়লাভ করল। প্রথম ম্যাচ এ সোদিআরবকে ৫-০ এর বিশাল ব্যাবধানে তাদের বিশ্ব...
15/06/2018

প্রতিবার এর ন্যায় এবারও ফিফা বিশ্বকাপ এর সাগতিক দল জয়লাভ করল। প্রথম ম্যাচ এ সোদিআরবকে ৫-০ এর বিশাল ব্যাবধানে তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল।

ফিফা বিশ্বকাপ এ প্রথম নারি রেফারি।
15/06/2018

ফিফা বিশ্বকাপ এ প্রথম নারি রেফারি।

৫-০  গোলে রাশিয়ার বিশাল জয়।
14/06/2018

৫-০ গোলে রাশিয়ার বিশাল জয়।

বিশ্বকাপ আসছে। আপনি অপেক্ষা করছেন চায়ের মগ হাতে, রাত জেগে দুর্দান্ত সব খেলার জন্য। তবে নাটকীয় অনেক কিছু দেখতে পারেন, ঘটন...
08/06/2018

বিশ্বকাপ আসছে। আপনি অপেক্ষা করছেন চায়ের মগ হাতে, রাত জেগে দুর্দান্ত সব খেলার জন্য। তবে নাটকীয় অনেক কিছু দেখতে পারেন, ঘটনারও সম্ভবত অভাব হবে না; কিন্তু ‘দুর্দান্ত’? চোখ জুড়ানো ফুটবল যে দেখবেনই, সেটার গ্যারান্টি অবশ্য দেওয়া যায় না।

প্রথমেই একটা ব্যাপার পরিষ্কার হয়ে যাওয়া উচিত। চোখ জুড়ানো ফুটবল আসলে কী? ক্লাব ফুটবল যারা নিয়মিত দেখে থাকবেন, তাদের কাছে সংজ্ঞাটা একটু অন্যরকম হওয়া উচিত। গত বিশ্বকাপে হামেসের দুর্দান্ত ওই ব্যাকভলি বা ফন পার্সির ওই হেডের মতো মুহূর্ত তো হতেই পারে। একাই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো খেলোয়াড় বিশ্বকাপে কম নেই। কিন্তু দল হিসেবে এককাট্টা হয়ে দেখার মতো ফুটবল কটা দল খেলবে? বা আরেকটু নির্দিষ্ট করে বললে ব্যক্তিগত সামর্থ্য নয়, দলীয় শক্তি অনুযায়ী খেলে কটা দল নজর কাড়তে পারে? সংখ্যাটা খুব বেশি হওয়ার কোনো কারণ নেই। এজন্যই বিশ্বকাপ নিয়ে এখনই আশার বেলুন ফোলালে সেতা আপনার নিজের ঝুঁকিতে।

ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে এখন প্রেসিং ফুটবলটাই ট্রেন্ড। প্রতিটা ক্লাব এক ইঞ্চি জায়গা ছেড়ে দিতে চায় না, সেটার কৌশল ঠিক করার জন্য কোচদের মাথা ঘামাতে হয় বিস্তর। এক সাথে সারা বছর খেলে তবেই নিজেদের বুঝতে পারেন খেলোয়াড়েরা। কিন্তু মাত্র তিন সপ্তাহের প্রস্তুতিতে বিশ্বকাপে গিয়ে সেই প্রেসিং ফুটবল খেলা কতটা সম্ভব? ক্লাব ফুটবলের সারা বছরের ধকল সামলে সেই ফুটবল খেলার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবেই বা কতটা তৈরি থাকেন খেলোয়াড়েরা? সংশয়টা থেকেই যায়।

অথচ আজ থেকে ৩০ বছর আগেও ব্যাপারটা ঠিক এমন ছিল না। এসি মিলানের নব্বইয়ের ওই সর্বজয়ী দলের কোচ ছিলেন আরিগো সাচ্চি। তাঁর কথাটা ফুটবল পুরাণের অংশই হয়ে গিয়েছিল, ‘ফুটবল সব সময় হওয়া উচিত সর্বোচ্চ পর্যায়ে। আর কোনো ক্লাবই জাতীয় দলের সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারবে না।’ সাচ্চির কথাটা ওই সময়ের জন্য ঠিক ছিল। ক্লাবে একজন খেলোয়াড় যতই ভালো খেলতেন না কেন, বিশ্বকাপ মানেই যেন নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার রঙ্গমঞ্চ। ওই সময় ক্লাবে আজকের মতো খেলোয়াড় নামানোর বাধ্যবাধ্যকতাও ছিল। বড় লিগে তিন জনের বেশি বিদেশী খেলতে পারতেন না। তার মানে, বেশির ভাগ বড় ক্লাবে নিজ দেশের খেলোয়াড়েরাই এক সাথে থাকতেন। জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময়ও তাই তাদের বোঝাপড়ায় খুব একটা সমস্যা থাকত না।

তবে এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে অনেকটাই। জার্মানি, ইংল্যান্ডের মতো কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে বেশির ভাগ বড় দলের খেলোয়াড়েরা বিভিন্ন ক্লাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে খেলেন। ব্রাজিলেই যেমন ব্রাজিলিয়ান লিগের খেলোয়াড় আছেন তিন জন মাত্র। আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রেও সংখ্যাটা ওই তিনই। বিশ্বকাপের আগে তাদের একসাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময়ও থাকে অল্প কিছু দিন। এর মধ্যে সবাই আবার নিজেদের নিংড়ে দিয়ে এসেছেন ক্লাবে। জাতীয় দলের কোচদের প্রেসিং ফুটবলের চাওয়া তাই পূরণ হয় কমই। কৌশলের সাথে আপস করে তাই অনেক কোচই পজেশন ধরে রাখার দিকেই বেশি মনযোগ দেবেন। খেলার গতিও তাই কমে যায় অনেক।

আর এই সত্যিটা অস্বীকার করার উপায় নেই, যে কোনো হিসেবেই ক্লাব ফুটবল এখন জাতীয় দলের চেয়ে বেশি আকর্ষণীয়। পেট্রোডলারের ঝনঝনানিতে অনেক ক্লাবই উঠেছে ফুলেফেঁপে, ফুটবলাররা এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে কামাই করেন দুই হাতে। টাকাই যখন শেষ কথা, নিজেদের সেখানে নিবেদনটাও থাকে ওরকম। আর চ্যাম্পিয়নস লিগ তো ভিন্ন ঘরানার ক্লাবগুলোর লড়াই দেখার দারুণ একটা উপলক্ষই হয়ে গেছে। সেখানে বিশ্বকাপে নতুন কোনো কৌশল আসা দূরে থাক, এখনকার প্রচলিত কৌশলেই খেলার সাহস করতে পারেন না অনেক কোচ।

সত্যি কথা বলতে, দলীয় সামর্থ্য বিচারে সেই সাহস আছে হাতেগোণা কয়েকজনেরই। জার্মানি যেমন গত বিশ্বকাপে প্রেসিং ফুটবল খেলেছিল ভালোভাবেই, ব্রাজিলের সাথে ৭-১ গোলের ওই জয়টাই সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। স্পেন একটা সময় ধীরগতির বিল্ডআপে খেললেও গত কিছুদিনে প্রেস করে খেলার আভাস দিয়েছে। আর্জেন্টিনার কোচ হোর্হে সাম্পাওলিও ৩-৫-২ ফর্মেশনে প্রেস করে খেলানোর জন্য বিখ্যাত। তবে স্পেনের সাথে সেটা করতে গিয়ে ৬-১ গোলের হারটা নিশ্চয় ভুলে যাবেন না। প্রেসিং করতে গিয়ে কৌশল ঠিকঠাক না হলে হিতে বিপরীত হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি। ব্রাজিলের অবশ্য সেই সামর্থ্য আছে ভালোমতোই, হয়তো আছে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইংল্যান্ড, পর্তুগালের মতো আরও কয়েকটি দলের। তবে শুরুর দিকে সব দলই হয়তো একটু রয়েসয়ে খেলবে, পরের পর্বগুলোর জন্য শক্তি জমিয়ে রাখবে। নকআউট পর্বের আগে বড় দলগুলোর কাছ থেকে ট্যাকটিক্যাল ফুটবল আশা করলে হতাশও হতে পারেন।

আরিফুল হকের দারুণ শট হাওয়ায় ভেসে ছুটছিল সীমানার ওপারে। দুর্দান্ত ক্ষীপ্রতায় সেই বল মাটিতে নামালেন ফিল্ডার শফিকউল্লাহ। মা...
08/06/2018

আরিফুল হকের দারুণ শট হাওয়ায় ভেসে ছুটছিল সীমানার ওপারে। দুর্দান্ত ক্ষীপ্রতায় সেই বল মাটিতে নামালেন ফিল্ডার শফিকউল্লাহ। মাটিতে পড়ে আবার সীমানায় যেতে থাকা বলও ফেরালেন পরিমড়ি করে। চার নাকি চার নয়? তৃতীয় আম্পায়ারের রায়, বাউন্ডারি নয়। কেবল দুই রান। বাংলাদেশের হতাশার ষোলকলা তাতে পূর্ণ হলো। শেষ ম্যাচেও ধরা দিল না জয়। বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেই ছাড়ল আফগানিস্তান।

আগের দুই ম্যাচের চেয়ে লড়াই বেশি হলো এবার। রোমাঞ্চ ছড়াল। পেণ্ডুলামের মতো দুলল ম্যাচের ভাগ্য। তবে শেষের ফলে এলো না পরিবর্তন। ১ রানের জয়ে ৩-০ তে সিরিজ জিতে নিল আফগানিস্তান।

দেরাদুনে বৃহস্পতিবার দারুণ বোলিংয়ে আফগানদের ১৪৫ রানে আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু নিজের পার হতে পারেনি শেষের বৈতরণী। শেষ বলের দুই রানে ইনিংস শেষ হয়েছে ১৪৪ রানে।

আগের দুই ম্যাচের মতো বাংলাদেশ এবারও হেরেছে রশিদকে হারাতে না পারায়। শেষ ৩ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩৩ রান। সেই সময়ে বোলিংয়ে এসে রশিদ দিলেন মাত্র ৩ রান।

২ ওভারে ৩০ রানের কঠিন সমীকরণ প্রায় মিলিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। ঠাণ্ডা মাথার অসাধারণ ব্যাটিংয়ে করিম জানাতকে টানা পাঁচ বলে বাউন্ডারি মারেন মুশফিক। শেষ বলের সিঙ্গেলে ধরে রাখেন স্ট্রাইক।

শেষ ওভারে প্রয়োজন ৯ রান। এমনিতে টি-টোয়েন্টিতে বেশ সহজ, প্রতিপক্ষ বোলারের নাম রশিদ খান হলে বেশ কঠিন। সেটিই প্রমাণ হলো। প্রথম বলেই উড়িয়ে মারতে গিয়ে আউট মুশফিক।

পরের চার বলে একটি দুই, তিনটি সিঙ্গেল। শেষ বলে প্রয়োজন চার। স্ট্রাইকে নতুন ব্যাটসম্যান আরিফুল। রশিদের গুগলিকে উড়িয়ে মারলেন সোজা। সীমানায় শফিকের বীরোচিত ফিল্ডিং। কয়েকবার রিপ্লে দেখে তৃতীয় আম্পায়ার রায়ে উচ্ছ্বাসে ভাসল আফগানিস্তান।
তৃতীয় আম্পায়ার আরেকটু জুম করে, আরও কাছ থেকে মুহূর্তটি দেখতে পারতেন কিনা, সেই প্রশ্ন থাকল। তবে আফগানদের জয় যোগ্য দল হিসেবেই।

বাংলাদেশের রান তাড়ার শুরুটা আবারও ছিল যাচ্ছেতাই। দেশের সফলতম ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ব্যর্থ সিরিজের তৃতীয়বারের মতো। প্রথম ম্যাচের মতোই ফিরেছেন মুজিব উর রহমানের বলে।

লিটন দাস ডানা মেলতে পারেননি। তিনে নেমে সৌম্য সরকার ধুঁকছিলেন শুরুতে। তবে মুজিবকে দারণ এক সুইচ হিটে ছক্কায় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ভালো কিছুর।

এরপরই আত্নহত্যার কয়েক মিনিট। নবির এক ওভারে প্রায় একইভাবে রান আউট লিটন ও সৌম্য।

শুরুতে শর্ট ফাইন লেগে খেলেছিলেন লিটন, নন স্ট্রাইক থেকে অনেকটা দৌড়ে গিয়ে লিটনের সাড়া না পেয়ে মাঝ উইকেট থেকে ফেরার চেষ্টায় রান আউট সৌম্য। দুই বল পর, মুশফিক খেললেন শর্ট ফাইন লেগে। এবার নন স্ট্রাইক থেকে ছুটে আবার ফেরার চেষ্টায় রান আউট লিটন।

৩৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখন আবারও দিশাহারা বাংলাদেশ। দিশা দেখাতে পারেননি অধিনায়কও। জানাতকে দারুণ এক ছক্কার পর সাকিব আউট সেই ওভারেই। ১০ রানে তাকে থামিয়েছে এক্সট্রা কাভারে সামিউল্লাহ শেনওয়ারির চোখধাঁধানো ডাইভিং ক্যাচ।

সেখান থেকে মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহর সংগ্রাম শুরু। উইকেটের স্রোত ঠেকাতে সংযমী হন দুজন। তাতে রানের গতিতেও বাধ আসে।

মাঝে টুকটাক চার-ছক্কায় ম্যাচে টিকে থাকে দল। শেষ ৫ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৫৫। কিন্তু রশিদের ৩ ওভার তখনও বাকি। তার প্রথমটিতে এলো কেবল ৭ রান।

পরের ওভরে আফতাব আলমের ওভারে মাহমুদউল্লাহর চার ও ছক্কায় এসেছিল ১৫ রান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রশিদই গড়ে দিলেন পার্থক্য। মাহমুদউল্লাহর ৩৮ বলে ৪৫, ৩৭ বলে ৪৬ রান করে ম্যাচ সেরা মুশফিক কিংবা দুজনের ৮৪ রানের জুটি, সব কিছুর শেষ হতাশায়।

শেষের মতো আফগানদের শুরুটাও ছিল দারুণ। সিরিজে প্রথমবা সুযোগ পাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজকে ম্যাচের প্রথম ওভারে বোলিংয়ে এনেছিলেন অধিনায়ক। মোহাম্মদ শাহজাদ এই অফ স্পিনারকে স্বাগত জানিয়েছেন ১৮ রানের ওভারে। টি-টোয়েন্টিতে যা বাংলাদেশের সবচেয়ে খরুচে প্রথম ওভার।

অন্য বোলাররা সেই ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। পরের ৪ ওভার মিলিয়ে রান এসেছে ১৭। তবে ওই প্রথম ওভারের কারণেই রান তোলার চাপ খুব বেশি ছিল না আফগানদের। সেই সুযোগে শাহজাদ ও উসমান গনি গড়েন আরেকটি ভালো জুটি।

প্রথম ম্যাচের মতো এদিনও দুজনের জুটি পেরিয়ে যায় পঞ্চাশ। ৫৪ রানের উদ্বোধনী এই জুটির ভাঙন বাংলাদেশ উপহার পায় আম্পায়ারের কাছ থেকে। নাজমুল ইসলামের বল রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লেগেছিল শাহজাদের গ্লাভসে। ২২ বলে ২৬ রান করা ব্যাটসম্যানকে এলবিডব্লিউ দেন আম্পায়ার।

পরের ওভারেই মেলে আরেকটি উইকেট। উসমান গনি (২৬ বলে ১৯) আবারও আউট শর্ট বলে, বোলার এবার একাদশে ফেরা আবু জায়েদ।

চেপে বসা ফাঁস আফগানরা আবার আলগা করে মিরাজকে পেয়ে। দ্বিতীয় স্পেলে মিরাজকে ছক্কায় আমন্ত্রণ জানান আসগর স্টানিকজাই। আফগান অধিনায়ক পরের ওভারে ছক্কায় ওড়ান আবু জায়েদকে।

ছক্কার স্রোত বয়ে চলে পরের ওভারেও। সিরিজে প্রথম মাঠে নামা আরিফুল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের প্রথম ওভারে হজম করেন দুটি ছক্কা। ওই ওভারেই একটু স্বস্তি। ১৭ বলে ২৭ করে স্টানিকজাই আরিফুলকে উপহার দেন প্রথম আন্তর্জাতিক উইকেট।

আফগানদের আগের ম্যাচের নায়ক মোহাম্মদ নবিকে এদিন ঝড় তোলার আগেই থামান আবু জায়েদ।

নিজের প্রথম ৩ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিলেও শেষ ওভারে নাজিবুল্লাহ জাদরানের ব্যাটে চার-ছক্কায় আবু জায়েদ দেন ১২ রান। পরের ওভরে আবু হায়দারের বলেও সামিউল্লাহ শেনওয়ারি মারেন চার ও ছক্কা।

শেষের ওভারগুলোয় তখন আবারও খেই হারানোর পথে বাংলাদেশের বোলিং। কিন্তু শেষ দুই ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করেন সাকিব ও নাজমুল।

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন নাজমুল। ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রানে নেন দুই উইকেট। ১৬ রানে একটি উইকেট সাকিবের। শেষ পর্যন্ত তাই আর দেড়শ করতে পারেনি আফগানিস্তান।

কিন্তু বোলিং আক্রমণে যদি থাকে রশিদ, প্রতিপক্ষের জন্য সব স্কোরই যেন পাহাড় সমান! নাগিন নাচ আর পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করে আফগানরা করল হোয়াইটওয়াশের উৎসব।

do you this man who score six goal of fifa world cup 2014.
04/06/2018

do you this man who score six goal of fifa world cup 2014.

বিশ্বকাপ এর কিছু তথ্য।
04/06/2018

বিশ্বকাপ এর কিছু তথ্য।

team Germany they always improve.they are the best team of the world.
04/06/2018

team Germany they always improve.they are the best team of the world.

Address

Facebook. Com/fifa World Cup
Dhaka

Telephone

01831561010

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fifa world cup posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category