09/07/2026
The best adventure in Bandarban, and a huge shock at the end! 😃
সময়টা ছিল ২০১৮ সালের মার্চ মাস। তখন মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেছি। ফ্রিল্যান্সিং করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের একটা কোম্পানিতে রিমোট জব করতাম।
হঠাৎ একদিন বন্ধুরা মিলে প্ল্যান করলাম, ৫ দিনের জন্য সব ধরনের নেটওয়ার্ক থেকে দূরে বান্দরবানের গহীন পাহাড়ে হারিয়ে যাব। যেই কথা সেই কাজ! সবকিছু গুছিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। আমাদের ৫ দিনের রুট ছিল: রেমাক্রি > নাফাখুম > সাতভাইখুম > আমিয়াখুম > থুইসাপাড়া > পদ্মঝিরি।
তখনকার বান্দরবান ছিল একদম অন্যরকম। পর্যটকদের কোনো ভিড় বা চাপ ছিল না, চারদিকে শুধুই আদিম প্রকৃতি।
ট্রেকিংয়ের সেই দিনগুলো ছিল মজার, রোমাঞ্চকর আর ভয়ানক অভিজ্ঞতায় ভরপুর! পাহাড়ে কে কার আগে যাবে সেই প্রতিযোগিতা, দুপুরে পেটপুরে খিচুড়ি খেয়ে দেবতাখুম পাহাড় বাওয়া এবং অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়া 😂, এবড়োখেবড়ো পাথুরে রাস্তায় দৌড়ে নিচে নামা! ঝর্ণার পাড়ে স্লিপ খেয়ে পড়ে যাওয়া, ভেলাখুমে ভেলা ডুবে যাওয়ার অবস্থা, সাঁতার না জানা বন্ধুর ঝর্ণার কূপে ঝাঁপ দেওয়া, পানিতে মোবাইল পড়ে যাওয়া, রাস্তায় সাপ দেখা আর ভয়ংকর নির্জনতায় হাঁটা, সব মিলিয়ে কমপ্লিট একটা অ্যাডভেঞ্চার প্যাকেজ!
কিন্তু আসল টুইস্ট তো বাকিই ছিল! ৫ দিন পর যখন নেটওয়ার্কে ফিরলাম, দেখি আমার সেই ইউএসএ-র চাকরিটাই আর নেই! 🥲
চাকরি হারানোর কষ্ট ছিল ঠিকই, কিন্তু আমিয়াখুমের এই ছবির স্মৃতিগুলো সারা জীবন মনে রাখার মতো সেরা একটা অ্যাডভেঞ্চার হয়ে থাকবে।