14/08/2024
দুঃসময়ে কেউ পাশে থাকে না এটাই বাস্তবতা ,
আওয়ামীলীগের একটি অংগসংগঠন যার নাম হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ,এ ছাত্রলীগের জন্য আমার নিজের জীবন উজার করে দিয়েছি ,দিন-রাত যখন যেভাবে নেতাকর্মীরা চেয়েছে ওইভাবে পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে। ফ্যামিলির মানুষদের অনেক অনেক কথা শুনেছি ,ফ্যামিলির মানুষদের বিরুদ্ধে গিয়ে মা-বাবার কথা না শুনে সব সময় সংগঠনের সাথে নিজেকে জড়িয়েছি । কখনো পদের আশায় রাজনীতি করিনি,ছাত্রলীগ আমার যৌবনের প্রথম ভালোবাসা ছিল।
কিন্তু এ ছাত্রলীগের রাজনীতি করতে গিয়ে কিছু নেতাদের বলি হয়েছি আমি, কখনো মন্ত্রীদের বাসায়,কখনো এমপিদের বাসায় ,এভাবে চলে গিয়েছে আমার জীবনের অর্ধেকটা সময়, দিনশেষে আমি কি পেলাম কিছুই তো পেলাম না,শুধু একটাই পদ পেয়েছিলাম। খুবই দুঃখের সাথে ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের কাছে এগুলা বলতে হচ্ছে আমাকে। খুবই লজ্জা লাগছে এগুলা বলতে গিয়ে। নেতাদের যখন যেভাবে মন চেয়েছে সেভাবে আমাকে ব্যবহার করেছে তারা । আমার মত এরকম ছাত্রলীগের অনেক নেত্রীরা আছে যারা মুখ খুলতে পারতেছে না,তাদের মত প্রকাশ করতে পারতেছে না , অথচ আমাদের দুর্দিনে এখন কোন নেতাকে পাশে পাচ্ছি না কেউ আমাদের পাশে নাই সবাই যার যার মত করে গাঁ ঢাকা দিয়েছে,এটা তো আশা করিনি কখনো তাদের কাছে। আমরাও তো মানুষ নিজের দেশের কাছে নিজের পরিচয়টা কারো কাছে প্রকাশ করতে পারছি না । সবার কাছে মনে হচ্ছে আমরা ঘৃণিত প্রাণী।
বিশেষ করে ফেসবুকে আমাকে নিয়ে অনেকে আজেবাজে মন্তব্য করতেছেন,বিভিন্ন ভাবে পোস্ট করতেছেন,আমাকে মেসেঞ্জারে গালি দিচ্ছেন,আমি অন্তত দয়া করে সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী,এগুলো করবেন না,আপনাদেরও তো বাসায় মা বোন আছে ।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পতনের একমাত্র কারণ হচ্ছে কিছু বড় বড় নেতাকর্মীরা মানুষের কাছে হিরো সাজতে গিয়ে আজকে দলের এই অবস্থা।
সবশেষে আমি সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী সবাই আমাকে মাফ করবেন ক্ষমা করবেন।
দুঃখিত😭
Toma