Reyes De Europa

Reyes De Europa A community built by the fans, for the fans. We share everything about Real Madrid: News, Match updates, analysis.
(3)

Proudly rooted in Bangladesh yet connected with Madridistas worldwide. Always open to collaborations that celebrate the beautiful game.

31-year old Marcos Llorente has announced his RETIREMENT from the Spanish National Team."I’ve decided to bring my time w...
03/09/2026

31-year old Marcos Llorente has announced his RETIREMENT from the Spanish National Team.

"I’ve decided to bring my time with the national team to an end... I’m aware that I’m still young."

"It’s a personal decision, one I’ve thought about very carefully and, above all, one that comes from the heart."

"It has been an honor to represent my country."

Kylian Mbappé is Real Madrid Plyer of the month.
03/09/2026

Kylian Mbappé is Real Madrid Plyer of the month.

লা-লিগায় বিগ ম্যাচে কাল আমরা মুখোমুখি হচ্ছি বেতিসের সঙ্গে। এওয়ে ম্যাচ আমাদের জন্য। আর এটাই কনসার্নিং বিষয়। কেননা বেনিতো ...
03/09/2026

লা-লিগায় বিগ ম্যাচে কাল আমরা মুখোমুখি হচ্ছি বেতিসের সঙ্গে। এওয়ে ম্যাচ আমাদের জন্য। আর এটাই কনসার্নিং বিষয়। কেননা বেনিতো ভিয়ামারিনে লাস্ট ৪ সিজন ধরে আমরা জয়হীন।

লাস্ট ২০২১ সালে কারভাহালের একমাত্র গোলে আমরা বেতিসকে তাদের হোমে হারিয়েছিলাম। যাই হোক নয়া সিজন, পুরনো সমীকরণ টেনে লাভ নেই। লা-লিগায় মরিনহোর প্রথম বিগ টেস্ট বলা যায়।

সাথে দেখা যাচ্ছে আমাদের সকলের প্রিয় ইস্কো ও ফ্রান গার্সিয়ার সাথে।

Carlo Ancelotti: “REAL MADRID is my home, it's my family, it's my everything.When Real Madrid plays I always sit in fron...
03/09/2026

Carlo Ancelotti: “REAL MADRID is my home, it's my family, it's my everything.

When Real Madrid plays I always sit in front of the TV.”

On Jose Mourinho:

“Me and Jose Mourinho have a really excellent relationship for a long time. We have a good connection, we talk and exchange ideas and messages.

I'm very happy he's here and that he has the chance to enjoy being at this great club, which he knows well.

José is a great coach, and I'm fully confident he'll deliver fantastic work here.”

ঐদিন মাদ্রিদের কয়েকটা ফেমাস ডেডলাইন ডে সাইনিং নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আর সেই পোস্টে বলেছিলাম নাজারিওর সাইনিংটা নিয়ে আলাদা ...
03/09/2026

ঐদিন মাদ্রিদের কয়েকটা ফেমাস ডেডলাইন ডে সাইনিং নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আর সেই পোস্টে বলেছিলাম নাজারিওর সাইনিংটা নিয়ে আলাদা করে আলাপ দিবো। সেই কথা রক্ষার্থে আজকের এই পোস্ট।

আগস্ট ২৩, ২০০২।

কোচের সাথে দ্বন্দ্বের জেরে ইন্টার মিলান ছাড়ার উপায় খুঁজতে থাকে রোনালদো নাজারিও। এদিকে রোনালদো নাজারিও ড্রিম ক্লাব ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। অবশ্য সেই পথটা দেখিয়েছে আরেক সেলেসাও সতীর্থ রবার্তো কার্লোস।

তবে বাধ সাথে ইন্টার মিলান। মূলত ইন্টার মিলানের সাথে রিয়াল মাদ্রিদ নেগোসিয়েশন ফ্রুটফুল হয় না। এক পর্যায়ে ইন্টার, মাদ্রিদের সাথে সবরকম রোনালদো রিলেটেড সবরকম নেগোসিয়েশন বন্ধ করার থ্রেটও দেয়।

তবে রিয়াল মাদ্রিদ তো মাদ্রিদই। অবশ্য এই কাজে মাদ্রিদকে হেল্প করে রোনালদো এবং তার এজেন্ট। এজেন্ট ইন্টার মিলানের উপর ফিনানশিয়াল প্রেশার ক্রিয়েট করে অপর দিকে রোনালদো প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেয় কোচ পরিবর্তন না করলে রোনালদোও থাকবে না ইন্টারে।

ফলে যা হওয়ার তাই হলো। ডেডলাইন ডে তে পেরেজ এবং রোনালদো কন্ট্র্যাক্ট সাইন করলো, অফিসিয়াল এনাউন্সমেন্ট দিলো। যেই ডিল একদিন আগেও দোদুল্যমান সেটাই ফাইনাল ডে'র সেরা সাইনিং গুলোর একটা হয়ে যায়।

Sergio Martinez is called up for Betis game
03/09/2026

Sergio Martinez is called up for Betis game

🥺
03/09/2026

🥺

José Mourinho: "La Liga's level dropped and teams are easy to beat? No, not at all. There are many top teams, Barca, Atl...
03/09/2026

José Mourinho:

"La Liga's level dropped and teams are easy to beat? No, not at all. There are many top teams, Barca, Atleti, Villarreal, Betis...

You will see tomorrow how good Real Betis are?

No, this league is tough. In Germany and France, teams already know before the season starts that they will win the league.

We don't have that here."

ফুটবলে একটা সময় ফুলব্যাক মানেই ছিল টাচলাইনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা, সুযোগ পেলেই সামনে দৌড়ানো বা ফুটবলের ভাষায় ওভারল্যাপ করে ...
03/09/2026

ফুটবলে একটা সময় ফুলব্যাক মানেই ছিল টাচলাইনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা, সুযোগ পেলেই সামনে দৌড়ানো বা ফুটবলের ভাষায় ওভারল্যাপ করে আর ক্রস করা। মডার্ন ফুটবল ট্যাকটিক্স এসে সেই চাকরিটাই বদলে দিয়েছে একপ্রকার। এখন ফুলব্যাককে অনেক সময় দেখা যায় মাঠের মাঝখানে, একেবারে মিডফিল্ডারের জায়গায়।

বল নিজেদের পায়ে আসার সাথে সাথে ডায়াগোনালি ভেতরের দিকে (ইনসাইড চ্যানেল বা হাফ-স্পেস দিয়ে) সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে চলে আসে (Underlap/Invert)। এটাই Inverted Fullback। মডার্ন ফুটবলে এই ইনভার্টেড ফুলব্যাক হলো বিল্ড-আপ ফেজে ট্যাকটিক্যাল শেপ ডায়নামিকালি পরিবর্তন করার অন্যতম সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।

বাট এর মেকানিজম কি, কীভাবে এটি মাঠে কাজ করে?

চলেন ধরি, একটি টিম 4-3-3 ফর্মেশন দিয়ে ম্যাচ শুরু করছে। বিল্ড-আপের সময় তাদের সামনে প্রতিপক্ষের দুই ফরোয়ার্ড প্রেস করছে। এখানে একজন ফুলব্যাক ভেতরে ঢুকে যদি ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার এর পাশে দাঁড়ায়, তাহলে মুহূর্তের মধ্যে তৈরি হয় ডাবল পিভট। অর্থাৎ, একজন No.6-এর সাথে এখন আরেকজন খেলোয়াড়ও ডিফেন্স থেকে বল রিসিভ করার জন্য রেডি।

আচ্ছা আরেকটু ক্লিয়ার ধারণা দেই। পেপ গার্দিওলার সিটির উদাহরণ সবচেয়ে মানানসই হবে- টিম যখন ডিফেন্স থেকে অ্যাটাকে যায়, একজন ফুলব্যাক (যেমন: রিকো লুইস বা ওলেক্সান্ডার জিনচেঙ্কো) উপরে উঠে এসে সিঙ্গেল পিভটের (যেমন: রদ্রি বা ডেক্লান রাইস) পাশে বসে পড়ে। অন্যদিকে বাকি ৩ জন ডিফেন্ডার মিলে একটি Back-3 লাইন তৈরি করে। এর ফলে অন-দ্য-বল ফেজে দল অটোমেটিক একটি অস্থায়ী ডাবল পিভট পেয়ে যায়।

ফলে Center-back → Pivot → Pivot → Advanced Midfielder, এভাবে মাল্টিপাল পাসিং এঙ্গেল তৈরি হয়। অপনেন্ট এর দুই ফরোয়ার্ড যদি দুই সেন্টারব্যাক কে প্রেস করে, তাহলে মাঝখানে থাকা ইনভার্টেড ফুলব্যাক বা পিভটের এর একজন হয়ে যায় ফ্রি ম্যান।

ফুলব্যাক ভেতরে ঢুকে যাওয়ায় তার পাশের উইঙ্গার আর টাচলাইন ধরে নিচে ড্রপ করার প্রয়োজন অনুভব করে না। সে বরং আপটপ হাইয়ার অপজিশনে থেকে অপনেন্টের ফুলব্যাককে চার্জ করে। ফলে একদিকে মিডফিল্ডে numerical superiority, অন্যদিকে বাইরে attacking width, দুটোই পাওয়া যায়। ফলে বিল্ডাপ আরো স্ট্রং হয়।

এখন যদি দল সিঙ্গেল পিভট ব্যবহার করে, তাহলে ইনভার্টেড ফুলব্যাক অনেক সময় সেই একমাত্র পিভটের পাশে না গিয়ে তার পাশে এক্সট্রা পাসিং অপশন তৈরি করতে পারে। আবার পরিস্থিতি অনুযায়ী একজন ফুলব্যাক মিডে এসে সরাসরি সেকেন্ড পিভট এর ভূমিকাও নিতে পারে।

একজন ফুলব্যাক ভেতরে ঢোকে, একজন মিডফিল্ডার একটু এগিয়ে যায়, Winger বাইরে থাকে, Center-back ছড়িয়ে পড়ে। দেখতে দেখতে ৪-৩-৩ আর ৪-৩-৩ থাকে না।

তাই কাগজে-কলমে দল ৪-৩-৩ (সিঙ্গেল পিভট) বা ৪-২-৩-১ ফরমেশনে নামলেও, বিল্ড-আপের সময় ফুলব্যাক সাইডলাইনে না থেকে মাঝমাঠে এসে সেন্ট্রাল পিভটের পাশে বসে পড়ে। এর ফলে মাঠের স্ট্রাকচার নিমেষেই ৩-২-৪-১ বা ৩-২-৫ শেপে কনভার্ট হয়ে যায়।

আসলে ফর্মেশন শুধু starting point। আসল বিষয় হলো, বল পায়ে থাকা অবস্থায় মাঠে ১১ জন কীভাবে নিজেদের পজিশন হোল্ড করছে।

তিনজন ডিফেন্সে। দুজন পিভট তাদের সামনে। তারপর পাঁচজন অ্যাটেকিং লাইনে।

ইনভার্টেড ফুলব্যাকের ট্যাকটিক্যাল অনেক সুবিধা আছে যেমন-
মিডফিল্ড ওভারলোড (Numerical Superiority): অপনেন্ট যদি মিডে ৩ জন প্লেয়ার দিয়ে প্রেস করে, ইনভার্টেড ফুলব্যাক আসার ফলে মাঝমাঠে ৪ জনের বক্স বা ডায়মন্ড মিডফিল্ড তৈরি হয় (4v3 ওভারলোড)। ফলে একজন প্লেয়ার সবসময় ফ্রি পাসিং অপশন হিসেবে থাকে।

সেন্ট্রাল ট্রানজিশন সিকিউরিটি (Rest Defense): অ্যাটাক চলাকালীন মাঝমাঠে ২ জন পিভট থাকায় অপনেন্ট সহজে কাউন্টার অ্যাটাক চালাতে পারে না; বল হারালেই সেকেন্ড বল বা ইন্টারসেপশন দ্রুত রিকভার করা যায়।

উইঙ্গারদের 1v1 আইসোলেশন: ফুলব্যাক ভেতরে ঢুকে ডিফেন্ডারদের টেনে সেন্টারে নিয়ে আসায় টাচলাইনে থাকা উইঙ্গারদের জন্য ওয়ান-অন-ওয়ান স্পেস তৈরি হয়।

তবে সবকিছুর মতো এই ইনভার্টেড ফুলব্যাকেরও একটা ডিসএডভান্টেজ আছে।

ফুলব্যাক যখন মিডে ঢুকে পরে, তখন flank অনেকটাই Winger-এর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আর বল লুজ করার মুহূর্তে সেই wide channel খালি থাকলে অপনেন্ট সেখান দিয়েই কাউন্টার অ্যাটাক করতে পারে। তাই inverted fullback মানে শুধু “মিডে ঢুকে যাওয়া ফুলব্যাক” নয়। প্লেয়ারকে বুঝতে হয় কখন ইনসাইড মুভ করবে কখন আবার নিজের defensive position-এ ফিরবে।

ইনভার্টেড ফুলব্যাক হতে হলে স্রেফ গতি বা ট্যাকলিং স্কিল থাকলে চলে না; দরকার হয় সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারের মতো প্রেস রেজিস্ট্যান্স ও ভিশন, ছোট স্পেসে দ্রুত বল রিসিভ করে ওয়ান-টাচ টার্ন নেওয়ার টেকনিক্যাল ক্ষমতা আর ডিফেন্সিভ ট্রানজিশনে সাইডলাইনের খালি স্পেস কাভার করার মতো পজিশনাল ডিসিপ্লিন।

ইতালির ফুটবলের আরো একটি লজ্জাজনক অধ্যায়!জুভেন্টাস এর ব্যাকআপ গোলকিপার ম্যাতেও পেরিন সেরি বি-র ক্লাব পালেরমো-তে যোগ দেয়ার...
03/09/2026

ইতালির ফুটবলের আরো একটি লজ্জাজনক অধ্যায়!

জুভেন্টাস এর ব্যাকআপ গোলকিপার ম্যাতেও পেরিন সেরি বি-র ক্লাব পালেরমো-তে যোগ দেয়ার পর সেরিয়া-তে এখন এমন একজনও ইতালিয়ান ফুটবলার নেই, যিনি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন।

চারবারের বিশ্বকাপ জয়ীদের জন্য এটার লজ্জার চাইতে কম না কখনোই। শেষবার যখন কোন ইতালিয়ান ফুটবলার বিশ্বকাপ খেলা ছাড়া সেরিআ হয়েছিল তা ছিল ১৯৩০-৩১ সিজনে। সেবার উরুগুয়ে বিশ্বকাপে ইতালি অংশ না নেয়ায় এমন হয়েছিল।

যাই হোক, মাত্তেও পেরিন ২০১৪ বিশ্বকাপে অংশ নিলেও কোন ম্যাচ খেলেন নি তিনি। তবে কাগজে কলমে অন্তত স্কোয়াড প্লেয়ার ছিলেন তিনি। এবার তাও নেই সেরিয়ায়। ইতালির মতো বিগ নেশন্স এর জন্য এমন রেকর্ড কলঙ্কজনক।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Reyes De Europa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category