08/06/2026
একজন নেতার সবচেয়ে বড় সমর্থক তার অনুসারীরা নয় বরং সেই প্রতিদ্বন্দ্বী, যে তাকে আরও ভালো হতে বাধ্য করে। রিকেলমে ঠিক এই কাজটাই করলো এবার মাদ্রিদের প্রেসিডেনশিয়াল ইলেকশনে দাড়িয়ে।
রিকেলমেকে নিয়ে আমরা সবাই হাসি-ঠাট্টা করেছি। সহস্রবার বলেছি রিকেলমে হারবে এবং হেরেছেও। তবে রিকেলমে হারলেও এই যাত্রায় জিতে গেছে মাদ্রিদ এবং মাদ্রিদ কে জিতিয়েছে রিকেলমে।
এতদিন পেরেজের বিপক্ষে কেউই দাড়াতো না। টানা জয় আর ক্ষমতা পেরেজকে স্বৈরাচার বানিয়ে দেয়। ফলে ক্লাবের স্পোর্টিং প্রজেক্টের চাইতেও পেরেজের কাছে ইগো, বিজনেস বড় হয়ে উঠে। আর যেহেতু কম্পিটিটর ছিল না। তাই নিজে যেটা ভালো মনে করেছে সেটাই করেছে।
তবে রিকেলমে এবার পেরেজকে বুঝিয়ে দিয়েছে ক্লাব যদি সাকসেস না পায় তাহলে সোশিওরা পেরেজকেও উপড়ে ফেলতে পিছপা হবে না।
পেরেজ বিপক্ষে ইলেকশনে দাড়ানো, সোশিওদের নিজের দিকে টেনে আনা, এবং শেষ দিনে এসে ৩০+ ভোট পাওয়া চাট্রিখানি কথা না। তার উপর রিকেলমে চাইলেও বেটার প্রজেক্ট প্রেজেন্ট করতে পারে নাই।
পেরেজের ভয়ে কোনো প্লেয়ারই রিকেলমের সাথে কানেক্ট থাকতে চায় নি। হালান্ড, ক্লপ- আর্তেতা এই টাইপ ইরোর গুলো না হলে হয়তো রিকেলমে আরো ভোট পেতো। তবে যেটা পেয়েছে সেটাকেও আমি সাকসেস বলতে চাই।
আমরা ভোটের আগে রিকেলমে কে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করছি। আর এখন এপ্রিশিয়েট করছি। ক্লাবকে সঠিক পথে রাখার জন্য রিকেলমের ভয়েস গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করবে। ধন্যবাদ বস।