Hutum Pecha - হুতুম পেঁচা

Hutum Pecha - হুতুম পেঁচা গল্পের দুনিয়ায় আমন্ত্রণ

সব আশা হারিয়ে ফেলা মানুষ দেখেছেন কখনও? তাদের দৃষ্টি, কথা বলার ধরণ—কেমন যেন শান্ত হয়ে পড়ে, তাই না?ফি/লিস্তিনের মানুষ বুঝি...
31/07/2026

সব আশা হারিয়ে ফেলা মানুষ দেখেছেন কখনও? তাদের দৃষ্টি, কথা বলার ধরণ—কেমন যেন শান্ত হয়ে পড়ে, তাই না?
ফি/লিস্তিনের মানুষ বুঝি পুরো উল্টো। এই ছবির কিশোরের কথাই ভাবুন। নিজের এক পা হারিয়েছেন। হারিয়েছেন মা ও ভাইকে। ধ্বং'স হয়ে গেছে তার বাড়িঘর। তবু হার মানেনি।
চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃত্রিম অঙ্গের তীব্র সংকটের কারণে দমে থাকেনি। নর্দমার পাইপ, প্লাস্টিকের টুকরা এবং সাধারণ দড়ি ব্যবহার করে নিজের জন্য একটি অস্থায়ী কৃত্রিম পা তৈরি করেছেন।
শরীরের জোর তো অন্যায়ভাবে শেষ করতে পারবে, কিন্তু এই মনের জোরের কি করবে?

আরব আমিরাতের মানুষ মনে করে ‘সৌদি আরব তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘা/তকা করেছে।’ এমন মনে করার অনেকগুলো কারণ আছে—সংক্ষেপে কয়েকটি বল...
31/07/2026

আরব আমিরাতের মানুষ মনে করে ‘সৌদি আরব তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘা/তকা করেছে।’ এমন মনে করার অনেকগুলো কারণ আছে—সংক্ষেপে কয়েকটি বলছি; প্রথমত তেলের সাম্রাজ্য, দ্বিতীয়ত আফ্রিকায় আধিপত্য, ইসলামি নেতা হতে চাওয়া, ডলারের রাজনীতি ভাঙতে চাওয়া এবং দ্রুত বড় লোক হতে বাধা পাওয়া।
এই কারণগুলো প্রকট হয়েছে ইরানের সঙ্গে ঝামেলা বাধার পর। দেখেন, ইরানে হা/মলা চালানোর আগে আমেরিকা কিন্তু সৌদি-আমিরাতের সঙ্গে কথা বলে নিয়েছিল। ওরা সায় দিয়েছে বলেই এমন সাহস আমেরিকা করেছে। কিন্তু সৌদি তখন এমন এক ভাব করেছিল যে তারা কিচ্ছু বোঝে না।
যাইহোক, ওই কাহিনী আগের পোস্টে লিখেছি। চাইলে পড়ে আসতে পারেন। কিন্তু কথা হচ্ছে, তাড়াহুড়ো করে সৌদি কেন সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোট করতে গেল? এর পেছনে আছে ‘প্র/তারণা আর বিশ্বাসঘা/তকতা’। সৌদি জাস্ট আইওয়াশ করতে চাইছে। নিরাপত্তার ‘ন’ও থাকবে না। মানুষ মা/রার বৈধতা বলতে পারেন। আমি ভুলও হতে পারি।
কিন্তু একটা ধারণা তো করাই যায়—হঠাৎ করে সৌদি কেন সমুদ্র বাচাতে জোট গড়ল? ওই জোটে কিন্তু বাংলাদেশও আছে। কথা হচ্ছে, এই জোটের কাজ কি?
এরা মূলত বাব এল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক রুটের নিরাপত্তা দেবে। কাদের থেকে? ইয়েমেন তথা হু/থিদের থেকে।
মজার একটা বিষয় দেখেন, ওই জোটে কিন্তু আমিরাত কিংবা ওমান নাই। কেন নাই—বুঝতে পারছেন? ওই যে বললাম ‘আমার খাবার আগে চাই’ টাইপের অবস্থা। ইরান যখন উপসাগরের সব দেশগুলোকে তামাতামা করছিল তখন সৌদি আম্রিকার নিরাপত্তা ছাতায় চেপে তেল ছাড়ছিল বাজারে। সেই তেল সরাসরি যাচ্ছিল ইউরোপে।
রুটটা খেয়াল করেন, সৌদি তাদের তেল পাইপলাইনে করে পশ্চিম সীমান্তে আনত। সেখান থেকে লোহিত সাগর হয়ে সোজা সুয়েজ ক্যানেল হয়ে ইউরোপ। পথে কোনো বাধা নাই। হরমুজ প্রণালিও নেই। দেদারসে তেল বাজারে ছাড়া হচ্ছিল। ইউরোপে তাই কোনো ঘাটতি নাই। কিন্তু এশিয়ায় আছে। কেন আছে? কারণ তাদের পথে হরমুজ প্রণালি পড়ে। এই পথ আবার ইরানের নিয়ন্ত্রণে। আরেকটা মজার বিষয় হচ্ছে, আমিরাত-কুয়েত-কাতার সবাই এই পথের ওপর নির্ভরশীল। কারণ তাদের সমুদ্রে পৌঁছানোর আর কোনো পথ নেই।
সৌদি এখানে একটা দারুণ প্রস্তাব দিয়েছিল—‘তোমরা পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে আসো, আমরা বাজারে ছাড়ছি।’ কিন্তু এই কাজ করতে হলে পুরো সৌদি ঘুরতে হবে, অনেক খরচ। নিরাপত্তাও বড় ইস্যু। ঠিক এই সময়ে ওপেক ছাড়ে আমিরাত। কারণ তারা সৌদির একপেশে তেল বিক্রি মানতে পারছিল না। ইরানে রাগের বশে তাই হা/মলাও করে আমিরাত। জবাবটাও ভালো মতো পায়।
কিন্তু কথা হচ্ছে, সব যদি সৌদির পক্ষে থাকে তবে তারা কেন তাড়াহুড়ো করে সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট করতে যাচ্ছে? এর একমাত্র কারণ হতে পারে নিজের পেটে লা/থি আসার ভয়। হু/থিরা খুব কৌশলী, হরমুজের মতো তারাও বাব এল মান্দেব প্রণালির দখল নিয়ে রেখেছে। এখন এমন হইছে যে সুযেজ ক্যানেলও কার্যত বন্ধ। গত ২৪ ঘণ্টায় এই পথে মোটে ২৫টা জাহাজ গেছে। তারমাঝে পণ্যবাহী ছিল মোটে ১৭টি। আর এই সময়ে হরমুজ ছাড়তে পেরেছে মোটে দুটি জাহাজ।
হু/থিদের ওপর হামলা হওয়ার পর তারা প্র/তিশোধ হিসেবে এ কাজটি করেছে। সৌদি বড্ড ভয় পাচ্ছে—যদি এই পথ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে তবে যু/দ্ধ বড় আকার ধারণ করতে পারে অথবা পরাজয় মেনে আমেরিকা ইরানের ফেবারে চুক্তি করতে পারে।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিশনের মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেছেন, ‘ট্রাম্পের সামনে পরাজয় মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’ আর সেই পথটা খুলে দিয়েছে সৌদি। এবার সেই পথ বন্ধ করতেই তোড়জোড়।
বিশ্বের এতগুলো দেশের নিরাপত্তারক্ষীদের ওপর হা/মলা করার সাহস হয়ত করবে না হু/থিরা। করলে মাস্ট বিশ্বযু/দ্ধ।

Disclaimer: This post is for educational and informational purposes only. It is based on publicly available facts and is not intended to promote hatred, violence, or discrimination against any individual, group, religion, or nation. Thank you.

#সৌদিআরব

ইয়েমেনের হু/থিদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি ইসলামের রক্ষক সৌদি আরব। হিস্রাইল আর যুক্তরাষ্ট্রকে বর্গা নিয়েও লাভ হয়নি। গোপন আর জঘ/ন...
30/07/2026

ইয়েমেনের হু/থিদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি ইসলামের রক্ষক সৌদি আরব। হিস্রাইল আর যুক্তরাষ্ট্রকে বর্গা নিয়েও লাভ হয়নি। গোপন আর জঘ/ন্য পরিকল্পনা করেও না। হয়েছে বিলিয়ন ডলার ক্ষতি, কয়েকশ জীবন বরবাদ এবং পেয়েছে পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ। বাধ্য হয়ে তাই চুক্তি করতে হয়েছে।
ওই চুক্তি মার্কিন চু/লকানিতে দুদিন আগে ভেঙেছে সৌদি। তাতেই তাদের চোখের জল নাকে! এমন অবস্থা যে এখন যু/দ্ধের অন্তত তিনটা ফ্রন্ট বেড়ে যাবে অথবা পুরো মধ্যপ্রাচ্য আ/গুনে ডুব দেবে।
একটা বিষয় দেখেন, ইরানের সঙ্গে যে আ/গ্রাসন চলছে তা কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র চায়নি। ওরা ভেবেছিল দুম করে হা/মলায় ‘সব লিডার শেষ’ এবার চুক্তি করে ইরানে কয়েকটা ঘাঁটি বানিয়ে নেব, ব্যাস ‘হরমুজ আমার’। সৌদি-আমিরাত এমন পরিকল্পনা শুনেই কিন্তু ঘাটি ব্যবহার করতে দিয়েছিল। তা আর হলো কই! ইরান লম্বা সময়ে টেনে আনল যু/দ্ধ। খেলল একের পর এক শক্তিশালী ও মাস্টারস্টোক।
আ/গ্রাসনের প্লান এ ফেইল করল। যুক্তরাষ্ট্র প্লান বি’তে গেল—‘ম্যাসিভ ডি/স্ট্রয় করো।’ করলও। মিনাব স্কুলে শিশুদের মে/রে ফেলল, বঙ্গোপসাগরে ইরানের জাহাজ ডুবিয়ে দিল, নির্বিচারে সব স্থাপনা গুড়িয়ে দিল, মানুষ মা/রল। কিন্তু ইরান টলল না। এরপর আসল প্লান সি—এইটা খুব ইন্টারেস্টিং।
ততদিনে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব কয়টি ঘাঁটিতে দুমদাম চালিয়েছে ইরান। হিস্রাইলকে তছনছ করে দিয়েছে। কিন্তু গরু খাওয়া আরবরা যু/দ্ধে জড়াতে চায়নি। কারণ ওরা জানে, ইরান যদি একবার তেলের বা গ্যাস ফিল্ডে হা/মলা চালায় তবে তারা শেষ। আর পানির রিফাইনারিতে হা/মলা হলে না খেয়ে ম/রতে হত। তাই যু/দ্ধ বাড়েনি। ঠিক এই জায়গায় আম্রিকা দারুণ এক গেইম খেলছে। নিজে থেকে সৌদি-আমিরাত-কুয়েতের তেল আর গ্যাসের ফিল্ড উড়িয়ে দিল। কিন্তু তখনও লাভ হলো না।
আমেরিকার উস/কানির কৌশল বুঝে গিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্য। কৌশলটা ছিল, যু/দ্ধ যেহেতু দীর্ঘ হয়েছে তাহলে একা লড়ে কেন লাখো ডলার খরচ করব। ওদেরও যুক্ত করি। কিন্তু লাভ হলো না। ওই সময় ট্রাম্প খেপে গিয়ে বলেছিলেন, ‘সব খরচ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দেবে।’ আর এখন বলে, ‘ইরানের জব্দ হওয়া টাকা নিয়ে খরচ সামলাবে।’ ঠিক এই মুহূর্তে এসে বোকামো কিংবা অতি চালাকিটা করে বসেছে সৌদি।
আমেরিকার নির্দেশে তারা ইরাকে হা/মলা চালাল, ইয়েমেনে মানুষ মা/রল, সম্ভবত মিসরের পোর্টেও তারা হা/মলা চালিয়েছে। এখানেই এসেছে হু/থিরা। সৌদি চায় ইয়েমেন তার কথায় চলুক৷ খালি ইয়েমেন না ইরান-আমিরাত থেকে পাকিস্তান হয়ে বসনিয়া পর্যন্ত সবাই যেন তার কথা মেনে চলে। কিন্তু কেউ বাস্তবে মানে না৷ হু/থিরাও মানে না।
তবে সৌদির মাথাব্যথা লোহিত সাগর। মধ্যপ্রাচ্যে ইয়েমেন-ওমানের পর একমাত্র সৌদির কাছে সরাসরি লোহিত সাগরের একসেস আছে। এই যুদ্ধকালীন সময়ে এখান দিয়ে ইউরোপে তেল পাঠিয়ে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে সৌদি। কিন্তু হু/থিরা বাগড়া দিচ্ছে। ইরানের কথায় তারা লোহিত সাগর বন্ধ করে দিয়েছে। সৌদি জাহাজ লক্ষ্য করে হা/মলা চালাচ্ছে। ফলে তেল রপ্তানি বন্ধ। সৌদির মাথা গরম।
সেই গরমের সুযোগ নিয়েছে আমেরিকা। এতদিন যে সৌদি মধ্যপ্রাচ্যের বাকি দেশগুলোকে যু/দ্ধে জড়াতে নিষেধ করে আসছিল, তারাই এবার সরাসরি এন্ট্রি নিয়েছে।
ফল কি হলো—কিছু সাধারণ মুসলিম মা/রা গেল আর আমেরিকার পরিকল্পনা সফল হলো। ইউরোপ এবার আরও স্বস্তি পাবে। মূলত হিজ্রাইল যে কাজটা করেছে— আমেরিকাকে ফুল স্কেলের যু/দ্ধে ঢুকিয়ে দিয়ে নিজে পাশ কাটিয়ে গেছে। আমেরিকাও এখন সেটিই করবে। এবার মাঠ সৌদির, গোলপোস্ট দুটোও সৌদির।

Disclaimer: This post is for educational and informational purposes only. It is based on publicly available facts and is not intended to promote hatred, violence, or discrimination against any individual, group, religion, or nation. Thank you.

30/07/2026

বাংলাদেশ আজ এমন হতে পারত🙂

#বাংলাদেশ

কি অপূর্ব আর মায়াভরা মুখ, তাই না? জুঁইয়ের বয়স টেনেটুনে ১৩ বছর। এই এক যুগে সুন্দর চেহারার জুঁই দেখেছেন নি/র্মম বাস্তবতা। ...
30/07/2026

কি অপূর্ব আর মায়াভরা মুখ, তাই না? জুঁইয়ের বয়স টেনেটুনে ১৩ বছর। এই এক যুগে সুন্দর চেহারার জুঁই দেখেছেন নি/র্মম বাস্তবতা। পেয়েছেন প্রেম, ভালোবাসা, বি/চ্ছ্বেদ আর তা/চ্ছ্বিল্য। ওর জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া বুঝি ছোট্ট এই ছেলে।
ভাবুন একবার—যাকে বাচ্চা ভেবে আদর করে গাল টেনে দিতে চাইতেন, সে এখন আরেক বাচ্চার মা। তার এখন কত দায়িত্ব! বাবা সাকিব মিয়া কথা রাখেনি। জুঁই এতটুকু বয়সেই সামলেছেন সাংসারিক ঝামেলা। হা’মলা, মামলা সামলে লড়েছেন আদালতেও।
১১ বছর বয়সে যে প্রেমটি করে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবতায় নেমে আঘাত হেনেছে। ‍১৩ বছরের জুঁইয়ের প্রাপ্তি ৭ মাসের ছেলে বাচ্চা। খড়কুটোর মতো উড়ে যাওয়া ঠেকানোর ছোট্ট এক রশি।

ইয়েমেন সম্পর্কে আমরা ঠিক কতটুকু জানি? অন্তত এতটুকু নিশ্চয়ই জানি যে—সেখানে দু/র্ভিক্ষ চলছে, ওখানের একটা পক্ষ খুব খারাপ। দ...
29/07/2026

ইয়েমেন সম্পর্কে আমরা ঠিক কতটুকু জানি? অন্তত এতটুকু নিশ্চয়ই জানি যে—সেখানে দু/র্ভিক্ষ চলছে, ওখানের একটা পক্ষ খুব খারাপ। দেশের বড় একটা অংশ দখল করে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে দিয়েছে। সৌদি আরব হেল্প করতে চাইলেও করতে পারছে না। তাই তো! কাঠের চশমা পড়ে থাকলে এতটুকুই জানবেন।
আন্তর্জাতিক খেলা খুব কঠিন। এ খেলায় ক্যামেরায় যে সবচেয়ে ভালো, সে হয়ত ক্যামেরার আড়ালে ভাবনার চেয়ে বেশি খারাপ। এই লেখাটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি গণমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজের লম্বা প্রতিবেদনের সারাংশ। পুরো লেখাটি কেউ চাইলে দিয়ে দিব।
কিন্তু কি এমন লেখা আছে এই প্রতিবেদনে, যা নিয়ে হইচই শুরু হয়ে গেছে? আন্তর্জাতিক খবর যারা দেখেন বা পড়েন তারা নিশ্চয় জানেন হু/থিদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি ইসলামরক্ষক সৌদি, হিস্রাইল কিংবা যুক্তরাষ্ট্র। বাধ্য হয়ে চুক্তি করতে হয়েছে। ওই চুক্তি মার্কিন চু/লকানিতে দুদিন আগে ভেঙেছে সৌদি। তাতেই তাদের চোখের জল নাকে!
একটা বিষয় দেখেন, ইরানের সঙ্গে যে আ/গ্রাসন চলছে তা কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র চায়নি। ওরা ভেবেছিল দুম করে হা/মলায় ‘সব লিডার শেষ’ এবার চুক্তি করে ইরানে কয়েকটা ঘাঁটি বানিয়ে নেব, ব্যাস ‘হরমুজ আমার’। তা আর হলো কই! ইরান লম্বা সময়ে টেনে আনল যু/দ্ধ। খেলল একের পর এক শক্তিশালী ও মাস্টারস্টোক।
আ/গ্রাসনের প্লান এ ফেইল করল। যুক্তরাষ্ট্র প্লান বি’তে গেল। ম্যাসিভ ডিস্ট্রয় করো। করলও। মিনাব স্কুলে শিশুদের মে/রে ফেলল, বঙ্গোপসাগরে ইরানের জাহাজ ডুবিয়ে দিল, নির্বিচারে সব স্থাপনা গুড়িয়ে দিল, মানুষ মা/রল। কিন্তু ইরান টলল না। এরপর আসল প্লান সি—এইটা খুব ইন্টারেস্টিং।
ততদিনে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব কয়টি ঘাঁটিতে দুমদাম চালিয়েছে ইরান। হিস্রাইলকে তছনছ করে দিয়েছে। কিন্তু গরু খাওয়া আরবরা যু/দ্ধে জড়াতে চায়নি। কারণ ওরা জানে, ইরান যদি একবার তেলে বা গ্যাস ফিল্ডে হা/মলা চালায় তবে তারা শেষ। আর পানির রিফাইনারিতে হা/মলা হলে না খেয়ে ম/রতে হত। তাই যু/দ্ধ বাড়েনি। ঠিক এই জায়গায় আম্রিকা দারুণ এক গেইম খেলছে। নিজে থেকে সৌদি-আমিরাত-কুয়েতের তেল আর গ্যাসের ফিল্ড উড়িয়ে দিল। কিন্তু লাভ হলো না। আমেরিকার উসকানির কৌশল বুঝে গেল। কৌশলটা ছিল, যু/দ্ধ যেহেতু দীর্ঘ হয়েছে তাহলে একা লড়ে কেন লাখো ডলার খরচ করব। ওদেরও যুক্ত করি। কিন্তু লাভ হলো না। ওই সময় ট্রাম্প খেপে গিয়ে বলেছিলেন, ‘সব খরচ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দেবে।’ আর এখন বলে, ‘ইরানের জব্দ হওয়া টাকা নিয়ে খরচ সামলাবে।’ ঠিক এই মুহূর্তে এসে বোকামো কিংবা চালাকিটা করে বসেছে সৌদি।
আমেরিকার নির্দেশে তারা ইরাকে হা/মলা চালাল, ইয়েমেনে মানুষ মা/রল। ফল কি হলো—কিছু সাধারণ মুসলিম মা/রা গেল আর আমেরিকার পরিকল্পনা সফল হলো। হিজ্রাইল যে কাজটা করেছে, আমেরিকাকে ফুল স্কেলের যু/দ্ধে ঢুকিয়ে দিয়ে নিজে পাশ কাটিয়ে গেছে। আমেরিকাও এখন সেটিই করবে।
ইসলামের রক্ষকদের এই প্রতিবেদনটা পইড়েন—জানতে পারবেন কেন ইয়েমেন এখন গরীব আর আনস্টেবল।

ছবির এ দুই নারী দখলদারদের সেনা। অবসর সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু কাজের শেষে যদি বিনোদন না থাকে, তাহলে কি হয়? আরবরা যেমন অবসর ক...
29/07/2026

ছবির এ দুই নারী দখলদারদের সেনা। অবসর সময় কাটাচ্ছেন। কিন্তু কাজের শেষে যদি বিনোদন না থাকে, তাহলে কি হয়? আরবরা যেমন অবসর কাটাতে নারী নিয়ে মত্ত থাকে, তেমনি হি/দুরাও তো (অ)মানুষ!
এই দুই নারী (আরও ছিল নিশ্চয়ই) তাই রুমে নিয়ে আসলেন এক ফি/লিস্তিনি যুবককে। তার চোখ বেধে, হাত বেধে বসিয়ে দেওয়া হলো। এরপর...
এরপর কি ঘটেছে এই যুবকের সঙ্গে তা শুধুই কল্পনা করতে পারবেন। হয়ত আপনার কল্পনাও অতদূর পৌঁছাতে পারবে না। কিন্তু আইসিসির ঘোষিত ‘খু/নি’ বেনিআমিন নে/তানিয়াহু বুক ফুলিয়ে বলছেন, ‘ই/সরাইলি সেনারা বিশ্বের মোস্ট মোরাল সেনা।’
এই তার প্রমাণ—মোরালও মা/রা যাবে!

29/07/2026

যে সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যে মুহূর্তেই ফিরবে শান্তি

কলকাতার ধর্মতলা কাণ্ডে ধর্ম নিয়ে বিশাল লাফালাফি হচ্ছে। গত দুদিনে যতজন গ্রেফতার হয়েছে তাদের নাইন্টি পার্সেন্ট মুসলিম। মজা...
28/07/2026

কলকাতার ধর্মতলা কাণ্ডে ধর্ম নিয়ে বিশাল লাফালাফি হচ্ছে। গত দুদিনে যতজন গ্রেফতার হয়েছে তাদের নাইন্টি পার্সেন্ট মুসলিম। মজার তথ্য হচ্ছে, এদের অনেকেই আন্দোলনে যায়নি। কিন্তু চরম হয়রানির মুখে পড়েছে। টার্গেটেড।
পশ্চিমবঙ্গের মিডিয়া ভদ্র ভাষায় এদের ‘শুক্রবাড়ি জি'হাদি’ বলে গলা ফাটাচ্ছে। কি দারুণ নিরপেক্ষ মিডিয়া। তাই না। এদের উপস্থাপনা দেখে মনে হচ্ছে সামনে পেলে কে/টে খেয়ে ফেলবে। পুলিশও পালে হাওয়া দিচ্ছে। সবচেয়ে বড় কাজটি করছে বিজেপি সরকার।
অন ক্যামেরায় কিছু গু/ন্ডার মতো নেতা এদের যা-তা বলে হু/মকি দিচ্ছে। সামনে পেলেই পে/টাচ্ছে। সরকারিভাবে হেনস্তা করছে। তাচ্ছিল্য করছে এবং জবরদখল করছে।
ভাবুন একবার—এসব যদি বাংলাদেশের হিন্দুদের সঙ্গে হতো, তবে এতক্ষণে বর্ডারে কান্নার রোল পড়ে যেত। হাতে ত্রি/শূল আর গেরুয়া বেশে বাংলাদেশের হাইকমিশন ভেঙে ফেলা হতো।
কিন্তু এ নিয়ে বাংলাদেশে কথা নেই। আমার মত আকাইম্মা কিছু পাবলিক একটুআধটু ব্যাকস্পেস চেপে চেপে লিখছে। কেউ লেখেনি বা বলেনি বলে কিন্তু বিষয়টি ধামাচাপা হচ্ছে না। সবশেষে সেই প্রবাদটি টানতে হয়—সারারাত রামায়ণ পড়ে সকালে বলবে ‘সীতা কার বাপ, ব্রো?’
যা কিছু ঘটুক কিংবা না ঘটুক—দো/ষ মুসলমানদের ওপরই পড়বে৷ বিখ্যাত ফয়জল খান হয়ে যাবে আতং/বাদী খান স্যার, মোহাম্মদ শামি হয়ে যাবেন পাকিস্তানের এজেন্ট আর মোহাম্মদ জুনাইদ হয়ে যাবেন ‘চীনা এজেন্ট’। এদের অবদান মুহুর্তেই ধর্মের নামে মাটিতে লুটোপুটি খাবে।

এ বছরের শুরুর দিকে ই’সরাইল এই মানচিত্রটি প্রকাশ করে। এখানে নিজেদের ভূখণ্ডে তারা চারটি আরব দেশের বড় কিছু অংশ দেখায়। তা নি...
28/07/2026

এ বছরের শুরুর দিকে ই’সরাইল এই মানচিত্রটি প্রকাশ করে। এখানে নিজেদের ভূখণ্ডে তারা চারটি আরব দেশের বড় কিছু অংশ দেখায়। তা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে হুলস্থুল কাণ্ড। সৌদি-সিরিয়া এমনকি জর্ডানও দখলদারদের বিরুদ্ধে বিবৃতি দেয়। ওই মানচিত্রটি ৯২৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের লেভান্ত অঞ্চলের একটি রাজনৈতিক মানচিত্র।
কিন্তু এত প্রাচীন মানচিত্র কেন ২০২৬ সালে প্রকাশ করল ই’সরাইল? কি রহস্য লুকিয়ে এই পুরোনো মানচিত্রে? আর সৌদি-জর্ডানের সমস্যা কি এতে? চলুন সেই গল্প শুনি।
দখলদারদের প্রকাশিত মানচিত্রে আছে বর্তমান ফিলিস্তিন, জর্ডান, সিরিয়া ও লেবাননের বিশাল ভূখণ্ড। মানচিত্রে দেখানো কমলা অংশটি তখনকার ই’সরাইলের উত্তর রাজ্য। এখানেই এখনকার ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর।
সবুজ অংশকে বলা হয় ইহুদা। বর্তমান জেরুজালেম কেন্দ্রিক এলাকা। নীল অংশে মেডিরেরিয়ান সি, ডেড সি ও জর্ডান নদী। বাকি গাড় কমলা রঙের অংশে থাকা জমিগুলো সিরিয়া, লেবানন ও জর্ডানের। মানচিত্রে থাকা কয়েন দুটির একটি ‘Jeroboam’ (উত্তর রাজ্যের শাসক) ও ‘Rehoboam” (দক্ষিণ রাজ্যের শাসক)।
৯২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ই’সরায়েল রাজ্য ভেঙে দুই ভাগ হয়। এরপর প্রতি ৮০ বছরের মাঝে ই’হুদিদের গড়া রাষ্ট্র ভেঙে গেছে। তবে এবছর ই’সরাইল এই মানচিত্র প্রকাশ করে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ঐতিহাসিক উপস্থিতির জানান দিয়েছে। একই সঙ্গে ভেঙে পড়া আরবদের মনোবল আরও ভেঙে দিচ্ছে।
সৌদির এটি মোটেও পছন্দ হয়নি। তারা নিন্দা জানিয়েছে। স্বার্বভৌমত্ব নিয়ে শঙ্কা শুনিয়েছে। ওই ঘটনা সামনে আসেনি ইরানের সঙ্গে ঝামেলার কারণে। নয়ত এই ঘটনা হতো মধ্যপ্রাচ্যের হট টপিক।
বিশ্লেষকদের মতে, ই’সরাইল তাদের গ্রেটার ই’সরাইল বানানোর প্রাথমিক ধাপ হিসেবে এই মানচিত্র প্রকাশ করেছে। সামনে হয়ত তারা সত্যিই জমিগুলো দখলে নেবে, যা তারা প্রমিজল্যান্ড হিসেবে মনে করে। আর সেই প্রতিশ্রুত জমিতে সৌদির অনেকখানি ভূমি আছে।

Address

Doi-fuchka Gali, Mirpur-2
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hutum Pecha - হুতুম পেঁচা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hutum Pecha - হুতুম পেঁচা:

Shortcuts

Share