The Sports Trinity

The Sports Trinity Three Voices. One Passion.

গত বিশ্বকাপে কোয়ার্টার এ  মেসির কর্নার এ ম্যাক এলিস্টার এর নিয়ার পোস্টে হেডে গোলটা মনে আছে ? আপনি বিশ্বাস করবেন এই গোলটা...
19/10/2026

গত বিশ্বকাপে কোয়ার্টার এ মেসির কর্নার এ ম্যাক এলিস্টার এর নিয়ার পোস্টে হেডে গোলটা মনে আছে ? আপনি বিশ্বাস করবেন এই গোলটা ম্যাচের আগে প্রাকটিস সেশনে কাগজে কলমে এঁকে , ফিজিক্যালি রিহার্সাল করিয়েছিলেন একজন লোক। মাঠে ঠিক সেইম এক্সিকিউশন টাই করেছিলেন মেসি আর ম্যাক। পর্দার আড়ালে থেকে গেলেন এই গোলের কারিগর।

আর্জেন্টিনার টানা তিনটি জয় ২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকা এর নেপথ্যের কারিগর হিসেবে আমরা সবাই লিওনেল মেসি, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ কিংবা মাস্টারমাইন্ড লিওনেল স্কালোনিকে নিয়ে মেতে থাকি।

কিন্তু স্পটলাইটের ঝলকানি আর ক্যামেরার ফ্রেম থেকে দূরে, ডাগআউটের এক কোণে নীরবে নিভৃতে দাঁড়িয়ে ছিলেন আরেকজন। সাবেক মাদ্রিদ আর মিলান তারকা , আর্জেন্টিনার ডিফেন্সের দেয়াল এবং স্কালোনি ব্রিগেডের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ওয়াল্টার স্যামুয়েল দ্যা ওয়াল।

আর্জেন্টিনার সহকারী কোচের পাশা পাশি ছিলেন নাহুয়েল মলিনা , ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর মেন্টর ও। শান্ত, গম্ভীর আর প্রচারবিমুখ এই মানুষটি পর্দার আড়ালে থেকে আলবিসেলেস্তেদের রক্ষণভাগকে ভরসাযোগ্য করে গড়ে তুলেছেন ২০১৮ বিশ্বকাপের ভরাডুবির পর থেকেই।

ক্যামেরার সামনে বাড়তি কোনো আবেগ নেই। গোল হলে বেঞ্চে বসে একটা মৃদু হাসি, কিংবা ট্রফি জয়ের পর এক কোণে দাঁড়িয়ে চোখ জুড়ানো তৃপ্তিব্যস এটুকুই ছিলেন ওয়ালটার স্যামুয়েল। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ আজ যে পাথরের মতো শক্ত, তার পেছনে তার নিরলস পরিশ্রমের অবদান অসামান্য।

ধন্যবাদ ওয়াল্টার স্যামুয়েল। মেসি আর ওতামেন্দির পর বিদায় নিলেন তিনিও। খুব শীগ্রই হয়তো দেখা যাবে কোনো দলের প্রধান কোচ হিসেবে। প্রচারের আলোয় না থাকলেও, কোটি কোটি আর্জেন্টিনা ভক্তদের হৃদয়ে থাকবেন আপনি সব সময়ই।

দিওমান্দে অনেক রিস্কি একটা পজিশনে খেলে। মাদ্রিদের ওয়ান অফ দ্য মোস্ট ফ্যান ফেভারিট প্লেয়ার ভিনির সাথে তার প্লেয়িং পজিশন ন...
19/10/2026

দিওমান্দে অনেক রিস্কি একটা পজিশনে খেলে। মাদ্রিদের ওয়ান অফ দ্য মোস্ট ফ্যান ফেভারিট প্লেয়ার ভিনির সাথে তার প্লেয়িং পজিশন নিয়ে কথা হয় অথবা মাদ্রিদের সব থেকে লাভড প্লেয়ার গুলারের সাথে তার পজিশন সোয়াপ হয়। এই জন্য সে কোনো ম্যাচে যদি ভুল করে তাইলে সেই ভুল ভয়াবহ ভাবে ফোকাসড হবে। এবং আরেকটা মেট্রিক্স ও আছে। রাইভাল দের ট্রল।

যদিও দিওমান্দে গোল পেতে পেতে আদেয়ামী লিজেন্ড হতে পারেনি। বরং দুজনেরই লা লীগায় ২ গোল , ২ এসিস্ট। এর মধ্যে দিও তার শেষ ৫ ম্যাচে ৫ গোল /এসিস্ট করেছে। যাইহোক , ট্যালেন্ট এর বিচারে দিওমান্দের সাথে আদেয়ামির তুলনা হয়না। বুন্দেসলিগার খোঁজ খবর রাখা মানুষ জানে হাউ লর্ড অফ এ প্লেয়ার আদেয়ামী ওয়াজ। কিন্তু বার্সায় তার এক্সিকিউশন এর প্রশংসা করতে হয়।

কিন্তু সার্বিক ভাবে মানুষ জন কেবল কাউকে সমালোচনা করা লাগবে বা ট্রল করা লাগবে এই জন্য একটা প্লেয়ারকে মিনিমাম প্লেয়িং টাইম এর আগেই এমন এমন লেম ট্রল করে যেগুলা আল্টিমেটলি পরে ব্যাকফায়ার করে।

সবাই যখন দিওমান্দের সমালোচনা করেছিল আমরা ট্রাই করেছিলাম তাকে ডিফেন্ড করতে। কিন্তু সবাই এখন তার প্রশংসা করছে তাই তার একটু কন্সট্রাক্টিভ ক্রিটিসিজম করি যাতে তার উপর কেউ আকাশচুম্বী প্রত্যাশা না রাখে এখনই।

দিওমান্দের ফিনিশিং এ সমস্যা আছে। ইজি বল গোল বারের বাইরে ছক্কা মারতে পছন্দ করেন আবার কঠিন বল গোল করেন। বক্স মুভমেন্ট অতটা সাবলীল না ,এটার কারণ তার বডি স্ট্রাকচার। ন্যাচারাল স্ট্রাইকার না হবার কারণে পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই এই জায়গায় ঝামেলায় পড়বেন।

ফাইনাল থার্ডে বল রিলিজেও সমস্যা আছে। রিলিজে সমস্যা মানে এই না যে সে পাস্ দেয়না বা সেলফিশ। সমস্যা হচ্ছে সে কখন, কোন জায়গায় বল রিলিজ করবে এটা নিয়ে অনেক ডিলেমায় থাকে। এই জিনিসগুলো টিম এর সাথে ট্রেনিং করতে করতে ঠিক হবার কথা। ইনফ্যাক্ট ন্যাচারাল বক্স মুভমেন্ট বাদে বাকি সব খুব সহজেই সল্ভ করা সম্ভব।

ভিনির জায়গা কি প্রশ্নের মুখে ? এই উত্তর এল ক্লাসিকোতে মিলবে। দিওমান্দে যদি এল ক্লাসিকোতে ভালো কিছু করে তাহলে ভিনির স্টার্টিং লাইন আপে ফিরতে দেরি আছে।

18/10/2026

এস্পির স্টার্ট পাওয়া উচিৎ। কিন্তু এস্পি - এমবাপ্পে একসাথে খেললে দিওমান্দে - বেলিংহ্যাম এবং গুলার থেকে একজনকে স্যাক্রিফাইস করতে হবে।

৩৯ বছর বয়সে এক সিজনে ২০ গোল কেমন স্ট্যাট? ভালই... কিন্তু যদি ৩৯ বছর বয়সে ২০ গোল কেউ ২ মাসে করে তাহলে?২০২৬ বিশ্বকাপের পর ...
18/10/2026

৩৯ বছর বয়সে এক সিজনে ২০ গোল কেমন স্ট্যাট? ভালই...

কিন্তু যদি ৩৯ বছর বয়সে ২০ গোল কেউ ২ মাসে করে তাহলে?

২০২৬ বিশ্বকাপের পর ইন্টার মায়ামির হয়ে লিওনেল মেসির পরিসংখ্যানটা খেয়াল করেছেন?

১৩ ম্যাচে ১৩ গোল আর সাথে ৪টি অ্যাসিস্ট লীগে! আর সব মিলিয়ে ১৮ গোল শেষ ২ মাসে! মাঠের খেলা দেখলে মনে হয়, সেই পুরোনো 'প্রাইম মেসি'কে আবার ফিরে দেখছি।

মেসির ক্যারিয়ারের মোট গোল সংখ্যা এখন ৯৩৬। এই বয়সে এসেও মাঠের গতি, চোখের পলকে ডিফেন্ডারদের বোকা বানানোর ড্রিবলিং আর নিখুঁত ফিনিশিং সবকিছুই যেন সেই ১৮-১৯ বছর বয়সের তরুণ মেসির গোলগুলোর হুবহু মাস্টার কপি।

মেসি এখনো সেই আগের মতোই অবিশ্বাস্য। এই বয়সে এসেও ফুটবলকে যেভাবে উপভোগ করছেন, তাতে মনে হচ্ছে মেসির পরবর্তী মিশন এখন ১০০০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলা। কিংবদন্তির এই রূপ রূপকথাকেও হার মানায়।

হয়তো একদিন মেসির বুট থেমে যাবে, থেমে যাবে গোলের উৎসবও। কিন্তু ফুটবল যত দিন তার সৌন্দর্যের গল্প বলবে, তত দিন সেই গল্পের পাতায় একটি নাম বারবার ফিরে আসবে "লিওনেল মেসি" যেখানে তিনি ইররেপ্লেসেবল।

বার্সার সাথে সবাই কি ক্লু লেস ফুটবল খেলে? না। সবাই তাদের স্বাভাবিক খেলাই খেলে কিন্তু বার্সার এই ব্রুটাল ব্রিলিয়ান্সের সা...
18/10/2026

বার্সার সাথে সবাই কি ক্লু লেস ফুটবল খেলে? না। সবাই তাদের স্বাভাবিক খেলাই খেলে কিন্তু বার্সার এই ব্রুটাল ব্রিলিয়ান্সের সামনে আসলে পেরে ওঠা সম্ভব না।

ক্লাব ফুটবলের টুকিটাকি খবর রাখি ক্লাস সিক্স থেকে। ২০০৮ সাল আর কি! সেই থেকে আজকে ২০২৬ সাল অবধি আমি এই বার্সার মত অ্যাটাকিং ব্রিলিয়ান্সের টিম দেখিনাই। বার্সা যেটা করতেছে এটা গেমিং এর ভাষায় নুবদের সাথে মজা লুটতেছে স্রেফ।

আমি ফেজ অফ প্লে কিংবা একটা উইকের মোমেন্টামে অনেক দলকেই আক্রমনাত্মক ফুটবল খেলতে দেখছি। কিন্তু ম্যাচ বাই ম্যাচ এমন টোটাল ডমিন্যান্স কাউকে করতে দেখিনাই। এই বার্সায় একটা সিঙ্গেল প্লেয়ারের নাম বলতে পারবেন না যে বার্সা এই প্লেয়ারটার উপর ডিপেন্ডেবল। ইচ এন্ড এভরি প্লেয়ার পারফর্ম করতেছে।

আর ফ্লিক টিম বিল্ডও করছে সেভাবে। ফ্লিক কালকে লামিনকে ৭০ মিনিটে সাব করেছে। লামিন এখন আজাইরা শো বেটিং করে? আগে অনেক বল লুজ করতো অহেতুক স্কিল মুভ করে। আর এখন প্রয়োজনের বাইরে নাই। এই চেঞ্জটা ফ্লিক আনতে পারছে কারন লামিন ইনস্টাগ্রামে যতটা স্যাভেজ, সে ছাত্র হিসেবে কোচের সাথে তার পুরো বিপরীত। আজ অবধি একটা সিঙ্গেল ইনসিডেন্ট পাইছেন যেখানে লামিনের সাথে তার কোন কোচের মন কষাকষি হইছে?

টানা ২ ম্যাচে গোল করা গর্ডনকে নামায়নাই। ফারমিন আর দানি অলমোর ডেইলি রোটেশন। এই গাটস আপনি মোরিনহোর কাছ থেকে এক্সপেক্ট করতে পারবেন? কারেন্ট মোরিনহো থেকে? পারবেন না।

শুনেন, এইটা গাটস না। এইটা প্লেয়ারদের ফ্যাটিগ ম্যানেজমেন্ট। সিজনের অনেক সময় বাকি এখনও। ফ্লিক যে ভুলটা করবে ভাবছিলাম সেটা সে এভয়েড করতেছে। তার হাই লাইন, হাই প্রেসিং এ প্লেয়াররা টায়ার্ড হয়ে মিড-লেট সিজনে ইনজুরিতে পরবে ভাবছিলাম। কিন্ত সে এইটা ব্রিলিয়ান্টলি ম্যানেজ করতেছে৷ ওয়ার্ক-লোড ম্যানেজ করাও ম্যানেজার এর একটা জব রোলে পড়ে।

এই বার্সায় ফ্লিকের ডমিনেন্স বুঝতে এটাই যথেষ্ট। প্লেয়াররা ফ্লিককে ট্রাস্ট করে৷ বিশ্বাস না করলেও এজ লং এজ ফ্লিক ইজ দেয়ার, উনিই শেষ কথা। কোচের উপর মাতুব্বরি করার কেউ নাই বার্সায়।

যাইহোক, জেরার্ড মার্টিন এবং গার্সিয়া মেবি ইনজুরিতে পড়েছেন তবে কতটা গুরুতর তা জানা যায়নি। এই বার্সায় যদি একটা উইকনেস থাকে তাহলে সেটা রাইট ব্যাক। কুন্দে খেলুক বা ক্যান্সেলো, ডিফেন্সিভলি দুইজনই একটু দূর্বল আছে।

যদি এই জায়গাটা এক্সপ্লোয়েড কেউ করতে পারে তাইলেই হয়ত সম্ভব বার্সার সাথে ভাল কিছু করার। নাইলে সম্ভব না।

টেকো মাথার যে লোকটা এখন সিটির ডাগআউটে বসেন তিনি পেপ না। পেপ এর ছাত্র। কিন্তু তিনি এমন একটা রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন পেপ এর রিপ...
17/10/2026

টেকো মাথার যে লোকটা এখন সিটির ডাগআউটে বসেন তিনি পেপ না। পেপ এর ছাত্র। কিন্তু তিনি এমন একটা রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন পেপ এর রিপ্লেসমেন্ট এ এসে , তাতে সিটি জার্নির শুরুতে পেপকেও পিছনে ফেলেছেন।

কথা ছিল সিটি এবার ট্রানজিশন পিরিয়ডে থাকবে। কিন্তু মাঠের খেলায় হলো উল্টো। পেপ গার্দিওলার ৬ ম্যাচের উইনিং স্ট্রিক ভেঙে লীগ ওপেনিং এর ৭ ম্যাচে জিতে নতুন ক্লাব রেকর্ড গড়লো এনজো মারেস্কা।

রদ্রির মতো প্লেয়ার চলে গিয়েছেন। বার্নার্ডো সিলভার মতো অভিজ্ঞ প্লেয়ার নাই। কিন্তু এই সিটিতে বিন্দুমাত্র তাদের অভাব টের পাওয়া যাচ্ছেনা। মাঠের বাইরের অনেক কিছুর জন্যই সিটির সমালোচনা হচ্ছে কিন্তু মাঠের খেলায়, নব্বই মিনিটে সিটি যা করছে তা আপনি কোনোভাবে ডিনাই করতে পারবেন না।

সামনের দুই ম্যাচ জিতলে সিটি পুরো প্রিমিয়ার লীগের ওপেনিং স্ট্রিকে ভাগ বসাবে। এর আগে কেবল ২০০৫-৬ মৌসুম এ মরিনহোর চেলসি টানা ৯ ম্যাচ এবং ২০১৯-২০ এ লিভারপুল ৮ ম্যাচ জিতে লীগ শুরু করেছিল।

আর হ্যাল্যান্ড নিয়ে কি বলবো। স্রেফ একটা কথা। হি ইজ ট্যুও হট টু হ্যান্ডল।

17/10/2026

পরীক্ষায় ক্লাসের সেরা ছাত্র ফেল করলে অন্যান্যদের ফেলের খবর আননোটিসড থাকে। মাদ্রিদের ফুলব্যাকদের কি অবস্থা এই সিজনে ?

4.2 বিলিয়ন ডলারে ফিফা বিশ্বকাপের রাইটস থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি করার প্ল্যান এবং বিশ্বকাপে বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে গতকাল ...
17/10/2026

4.2 বিলিয়ন ডলারে ফিফা বিশ্বকাপের রাইটস থার্ড পার্টির কাছে বিক্রি করার প্ল্যান এবং বিশ্বকাপে বিতর্কিত রেফারিং নিয়ে গতকাল জুরিখে ফিফা কাউন্সিলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন ইনফান্তিনো। কিন্তু ইনফান্তিনো তার একক সিদ্ধান্তে নেয়া রাইটস সেলিং এর কোনো ডকুমেন্ট দেখাতে পারেন নি। যেকারণে ইউরোপিয়ান ডেলিগেটস ( জার্মান অফিসিয়াল বার্ন্ড নেওনড্রফ এবং ইংলিশ ফুটবল এসোসিয়েশন এর সভাপতি হেবিট ) মন গলেনি।

ফিফা রাইটস একটা থার্ড পার্টি কোম্পানির কাছে সেল করে দেয়ার মানে বুঝতেছেন ? ইচ এন্ড এভরি ডিসিশন তখন তারা নিতো। ফুটবলকে বাণিজ্যিকীকরণের নামে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিনোদন উঠে গিয়ে আসতো ব্যবসায়। পারপাস সার্ভ করা দেশ গুলো বেনেফিটেড হতো , বঞ্চিত হতো অন্য দেশ গুলো। গ্লোবালাইজেশন এর মুলা ঝুলিয়ে এর আড়ালে কোটি ডলারের মানি লন্ডারিং বাণিজ্যে ব্যবহৃত হতো ফুটবল।

আগামী বছর মার্চে ফিফা প্রেসিডেন্ট এর ইলেকশন এ ইনফান্তিনোর সড়ে যাওয়ার দাবিতে উয়েফা স্টিল অনড় এবং ইনফ্যাক্ট তারা ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে মামলা করবে যদি ইনফান্তিনো ইনভেস্ট প্ল্যানের দালিলিক প্রমান না দিতে পারে।

ইনফান্তিনো ট্রাম্পের মেয়ে জামাই এর মালিকানাধীন কোম্পানির কাছে ফিফা রাইটস বিক্রি করার ডিসিশন নিয়েছিল। এবং সিদ্ধান্ত ফিফার অন্য ডেলিগেটস রা জানতেন না। এর পাশা পাশি ট্রাম্প কে ফিফার পক্ষ থেকে ট্রাম্প কে দেয়া " পিচ্ " এওয়ার্ড ও হয়তো আর কন্টিনিউ করা হবেনা।

তিন থেকে চার বছর আগেও পিএসজি নিয়ে একটা কথা ছিল। তেলের টাকায় সব হইতে পারে কিন্তু লেগ্যাসি হয়না।  লেগ্যাসি আর্ন করা লাগে ,...
16/10/2026

তিন থেকে চার বছর আগেও পিএসজি নিয়ে একটা কথা ছিল। তেলের টাকায় সব হইতে পারে কিন্তু লেগ্যাসি হয়না। লেগ্যাসি আর্ন করা লাগে , কেনা যায়না ,ইত্যাদি ইত্যাদি কত কি ! সেই পিএসজি ই এখন এমন লেগ্যাসির সামনে দাঁড়িয়ে যা আধুনিক ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদ বাদে অন্য কোনো দল ধারে কাছেও যায়নাই।

আপনি বুঝতে পারতেছেন পিএসজি কোনো ভাবে এবার চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতলে তারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং ইন্টার মিলান এর সমান ( ৩ ) উচলের মালিক হবে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবা ইন্টার এর শতবর্ষী লেগ্যাসি হয়তো এতে টাচ করতে পারবেনা কিন্তু ট্রফির মানদন্ডে এই পরিসংখ্যান আপনি ফেলে দিতে পারবেন ?

ভিটিনহা, কাভারাতসখেলিয়া, রুইজ,জোয়াও নেভেস ও ডুয়োর মতো তারকাদের নিয়ে গড়া এই স্কোয়াডের গড় বয়স মাত্র ২৫.৮ বছর। এই বয়সে টানা দুই চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতে ওদের ফোকাস একটুও হারায়নি। ইভেন সবাই রেডি টু ডাই ফর দ্যা গ্লোরী। ইফ নীডেড , ওরা এই সিজনে লীগ ওয়ান স্যাক্রিফাইস করবে কিন্তু তাও ওরা এজ এ ইউনিট এমন একটা গ্লোরী হাতছাড়া করার চান্স নিবেনা।

লুইস এনরিকের দলটির থ্রি পিট মিশনে সফল হওয়া খুবই সম্ভব। মেগা-স্টার কালচার থেকে পারফেক্ট কম্বিনেশন অফ টিম গেম এর ট্রাঞ্জিশন এ পিএসজি সময় নিছে মাত্র ২ সিজন।
এমবাপ্পে, মেসি বা নেইমারের মতো মেগাস্টারদের বিদায়ের পর পিএসজি এখন ইন্ডিভিজুয়াল বিরিলিয়ান্স এর চেয়ে কমপ্লিট ইউনিটে বেশি বিশ্বাসী। যার কথা গতকাল একটা পোস্টেই বললাম যে লাস্ট সিজনে উচলের বেস্ট প্লেয়ার কাভার্টসখেলিয়া এই সিজনে উচলে এক ম্যাচেও স্টার্ট পান নি। কোনো প্লেয়ার তার কমফোর্ট জোন থেকে বের না হলে স্টার্টিং ইলেভেন গ্যারান্টেড না একদম ক্লিয়ার কাট মেসেজ লুচোর।

হ্যাঁ, এটা সত্যি শুধু ট্রফি দিয়ে লেগ্যাসি হয়না , বছর এর পর বছর ধরে টানা কিংবদন্তি ফুটবলারের জন্মও দিতে হয়। অনেক চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয়ী দল ( নটিংহ্যাম ফরেস্ট , মার্শেই , পোর্তো কিংবা বেনফিকা ) প্রথম সারির ক্লাবের তালিকায় নেই কিন্তু তবুও এদের কিন্তু একটা লেগ্যাসি আছে। পিএসজি এই ক্ষেত্রে কতুটুকু সফল হবে সেই উত্তর আমাদের চেয়ে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম ভালো জানবে।

কিন্তু যদি কোনোভাবে পিএসজি এবার চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতে যায় , বার্সার হয়ে অলরেডি ট্রেবল জেতা লুইস এনরিকের নাম তাহলে ক্লাব ফুটবলে সাকসেসফুল কোচদের তালিকায় শুধু ট্রফি জয়ী কোচ দের তালিকায় না , একটা ক্লাবের ফুটবলের ইতিহাস বদলে দেয়ার জন্য সাচ্চি কিংবা স্যার আলেক্স ফার্গুসন দের মতো করে উচ্চারিত হওয়া উচিত।

গত সিজনে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের বেস্ট প্লেয়ার অথচ কাভারডোনা এই সিজনে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে এক ম্যাচেও স্টার্ট করতে পারেন নি। লীগ...
15/10/2026

গত সিজনে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের বেস্ট প্লেয়ার অথচ কাভারডোনা এই সিজনে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে এক ম্যাচেও স্টার্ট করতে পারেন নি। লীগ ওয়ানের ফর্ম ও যাচ্ছেতাই। প্লেয়িং টাইম মিলছেনা , সুযোগ যেটুকু পেয়েছেন তাতেও মাত্র ১ গোল , ১ এসিস্ট। গোল-এসিস্ট এর বাইরেও চান্স ক্রিয়েশন বা অন্য স্ট্যাটেও তেমন ভালোনা অবস্থা।

ইনজুরি সমস্যা নাই। কোচের কথা হচ্ছে তার ট্যাক্টিকাল ডিশিসন এ কাভার্টসখেলিয়া স্টার্ট পাচ্ছেন না। কিন্তু সমস্যা টা অন্য জায়গায়। কারো মতে সমস্যার শুরু সিজন ওপেনিং এ রেন্স এর সাথে ম্যাচে কাভাকে হাফ টাইমে সাব করা নিয়ে।

বলে রাখা ভালো এখানে কাভা কোচের সাথে তর্ক বা কিছুই করেন নি। সেই ম্যাচে হাফ টাইমে একই সাথে কাভা এবং ডেম্বেলে সাব করেন এনরিকে। ম্যাচ শেষে প্রেসে ওপেনলি বলেন , " দলের চেয়ে কেউ বড় নয় , এবং ম্যাচ জিততে হলে অনেক সময় কমফোর্ট জোন থেকে বের হতে হয়। "

অথচ মাদ্রিদে দেখবেন ম্যাচের পর ম্যাচ ভিনি বাজে খেলার পরও তার স্টার্টিং প্লেস নিশ্চিত। এমবাপ্পে গণহারে চান্স মিস করার পর ও মরিনহো একটা ম্যাচেও তাকে ৭০ মিনিটের আসে পাশে সাব করার সাহস দেখাচ্ছেন না।

সত্যি বলতে , এই মরিনহোকে একটু অচেনাই লাগছে। অথচ মরিনহো একসময় কোচিং করিয়েছেন রোনালদো , ইব্রা, রামোস , দিয়াগো কস্তা , ইতো , টেরি , মাতেরাজ্জি , বালোতেল্লি , কার্ভালহোর মতো ইগোইস্টিক প্লেয়ার দের।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Sports Trinity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share