Cityzens Wing Bangladesh

Cityzens Wing Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Cityzens Wing Bangladesh, Sports Team, Dhaka.

Cityzens Wing Bangladesh দেশের ইতিহাসের প্রথম বাংলা’ভিত্তিক ম্যানচেস্টার সিটি ফ্যানপেজ। সংগত কারণে ২০ হাজারের অধিক ফলোয়ারের আগের পেজটি এখন আর নেই, এজন্য নতুন করে শুরু করা হয়েছে।

Superbia in Proelio🔵

The Silent Architect | Kevin De Bruyne Story (Part 12)একদিন এক ছোট্ট বালককে বলা হয়েছিল,“তোমাকে আমরা আর রাখতে চাই না।”কার...
04/09/2026

The Silent Architect | Kevin De Bruyne Story (Part 12)

একদিন এক ছোট্ট বালককে বলা হয়েছিল,
“তোমাকে আমরা আর রাখতে চাই না।”
কারণ ছিলো তার নীরব স্বভাব, তার অন্তর্মুখী ব্যক্তিত্ব আর নিজের ভিতরে লুকিয়ে রাখা পুরো পৃথিবীটা কেউ বুঝতে পারেনি।

কিন্তু সেই ছেলেটিই একদিন আমাদের বুঝিয়ে দিল, মানুষের দেওয়া কোনো কথা, কোনো তকমা কারও ভবিষ্যৎ ঠিক করে না। ভবিষ্যৎ ঠিক করে আত্মবিশ্বাস আর অধ্যবসায়।

যে ছেলেটার নামের পাশে চেলসি লিখে দিয়েছিল ফ্লপ, সেই ছেলেটাই জার্মানি থেকে উঠে হয়ে গেল বুন্দেসলিগার সেরা খেলোয়াড়।

সেই ছেলেটি ম্যানচেস্টারে এসে, ম্যানচেস্টার সিটিতে এসে হয়ে উঠল পুরো একটি প্রজন্মের মুখ। একটি প্রজন্মের আইকন।

সেই ছেলেটি দ্য গ্রেটেস্ট, পেপ গার্দিওলার সঙ্গে মিলিয়ে শুরু করল এক নতুন অধ্যায়। এক নতুন রচনা। এক নতুন উপন্যাস।সেই উপন্যাসে একটি পাস হয়ে উঠল যেন একটি ভবনের কাঠামো।মাঠে একটি ক্রস হয়ে উঠল একেকটি অস্ত্র।
আর মাঠের প্রত্যেকটি ফাঁকা জায়গা হয়ে উঠল একেকটি সম্ভাবনার জায়গা।

যে ছেলেটিকে একটি আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে একটি পরিবার, সেই ছেলেটাই জিতে নিল একের পর এক প্রিমিয়ার লিগ, ডমেস্টিক ট্রফি, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং ট্রেবল।

সেই ছেলেটি,হ্যাঁ সেই ছেলেটি যার নাম কেভিন ডি ব্রুইনে।

পুরে ক্যারিয়ারে তার অর্জন ট্রফির থেকেও বড়।
তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন, সে প্রমাণ করতে পেরেছে যে সে এমন একজন মানুষ, যাকে তোমরা কখনোই সঠিকভাবে বিচার করোনি।তোমরা তার নীরবতাকে সবসময় দুর্বলতা ভেবেছ।

যে ছেলেটা তোমাদের কাছে নিজের কষ্টের কথা বলতে পারেনি, সেই ছেলেটাই শেষ পর্যন্ত পুরো পৃথিবীর সঙ্গে কথা বলেছে।কথা বলেছে তার পায়ের মাধ্যমে।শব্দ দিয়ে নয়।একটি থ্রু বলে।একটি লং রেঞ্জ পাসে।একটি নিখুঁত ক্রসে।

আর কখনো কখনো মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে পুরো খেলাটাকে নিজের মতো পরিচালনা করে।
তাই আপাতত আপনি তাকে ফুটবল পরিচালকও বলতে পারেন।

যাই হোক সবার কাছে আমরা তুলে ধরেছিলাম দ্য সাইলেন্ট আর্কিটেক্টের গল্প।আর এটাই ছিল সেই গল্পের সমাপ্তি।
যে মানুষটা কখনো কথার মাধ্যমে জিততে চায়নি, সবসময় তার ভাষা হয়েছে তার পায়ের ছন্দ।সেই মানুষটার গল্পই আমরা বললাম।

একদিন হয়তো ইতিহাদের আলো নিভে যাবে।আসবে অনেক অনেক নতুন খেলোয়াড়।নতুন করে গল্প লেখা হবে। নতুন গল্পকার আসবে।কিন্তু কারও কারও গল্প অমর হয়ে ওঠে ইতিহাসে।কেভিন ডি ব্রুইনে সেই অমর ইতিহাসের অংশ।

ইতিহাসের কোনো এক কোণে সবসময় দাঁড়িয়ে থাকবে সেই ছোট্ট ছেলেটি।যে প্রত্যাখ্যাত।যে নিঃসঙ্গ।যার জীবন অনিরাপদ।

তার সামনে পড়ে ছিল একটা ফুটবল।শুধুমাত্র একটি ফুটবল।সে সেই ফুটবলটা তুলে নিয়েছিল।তারপর কোনো সঙ্গী ছাড়াই দেওয়ালের সঙ্গে বলটাকে ছুঁড়ে মেরে নিজের মনের কষ্টকে আঘাত করেছিল।কারণ পৃথিবী তার কষ্টকে কখনো দেখেনি।কিন্তুতারপরও সে নিজে কখনো পৃথিবীর কাছে নিজেকে তুচ্ছ মনে করেনি।

শেষ লাইনে শুধু এটুকুই বলব
কেভিন ডি ব্রুইনে, তুমি অমর।তুমি ফুটবলে অমর হয়ে থাকবে।আর তোমার পিছু ছাড়বে না আমাদের ভালোবাসা।
আমাদের পিছু ছাড়বে না তোমার ফুটবলার হয়ে ওঠার সেই গল্প।

ভালোবাসা থাকবে, প্রিয় কিংবদন্তী,
কেভিন ডি ব্রুইনে।

সেদিনের কথা। লেস্টারের কাছে ২-৫ গোলে বিধস্ত হই আমরা। সেই ম্যাচের দুইদিন পরেই পর্তুগাল থেকে ২৩ বছর বয়সী ডিয়াসকে উড়িয়ে আনা...
03/09/2026

সেদিনের কথা। লেস্টারের কাছে ২-৫ গোলে বিধস্ত হই আমরা। সেই ম্যাচের দুইদিন পরেই পর্তুগাল থেকে ২৩ বছর বয়সী ডিয়াসকে উড়িয়ে আনা হয়। ডিয়াস কিন্তু আমাদের ফার্স্ট চয়েস ছিলো না।

তবে এসেই ইন্সটেন্ট ইমপ্যাক্ট রাখলো রুবেন৷ প্রিমিয়ার লীগ ট্রফি রিক্লেইম করলো। প্রিমিয়ার লীগের সেরা প্লেয়ার খেলোয়াড়ের খেতাব জিতলো। চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনালে নিয়ে গেলো।

সেসময় স্টোন্সের সিটি ক্যারিয়ার ছিলো ঝুঁকির মুখে। স্টোন্সের সাথে অনবদ্য এক জুটি তৈরি করে এক দেয়াল গড়ে তুললো রুবেন।

সেই ডিয়াস আজ সিটির ক্যাপ্টেন💙

ডিয়াস (মেইন) ও হালান্ড (ভাইস) দুইজন আপাতত আমাদের কনফার্মড ক্যাপ্টেন এখন পর্যন্ত। মারেস্কা আরো দুইজন এড করতে চায়।একজন ইংল...
03/09/2026

ডিয়াস (মেইন) ও হালান্ড (ভাইস) দুইজন আপাতত আমাদের কনফার্মড ক্যাপ্টেন এখন পর্যন্ত। মারেস্কা আরো দুইজন এড করতে চায়।

একজন ইংলিশ ক্যাপ্টেন নিয়োগ দেওয়ার ইচ্ছা মারেস্কা প্রেস কনফারেন্সে আগেই বলছিলো। আমার মনে হয় ফোডেনের আগে গুয়েহি প্রেফার্ড হবে।

ফোর্থ ক্যাপ্টেন মারেস্কা নিজের ক্লোজ কাউকে চাইবে৷ সেই হিসেবে এঞ্জোকে এখনই ক্যাপ্টেন গ্রুপে ইনক্লুড করলে অবাক হবো না।

ভার্ডিওল কাইন্ড অব ডির্জাভিং। ডোনাও লিডার মেন্টালিটির। কিন্তু গোলকিপার হওয়াটা ডিসএডভান্টেজ।

03/09/2026

Last time..

Vote For Cherki🫰
03/09/2026

Vote For Cherki🫰

ও'রেইলি গুস্তোর সোয়াপ ডিল😭, এন্জোর জন্য বোয়াদ্দির ডিল থেকে ব্যাক আউট করা। মামার বাড়ির আবদার পাইছে তো।The Audacity
03/09/2026

ও'রেইলি গুস্তোর সোয়াপ ডিল😭, এন্জোর জন্য বোয়াদ্দির ডিল থেকে ব্যাক আউট করা। মামার বাড়ির আবদার পাইছে তো।

The Audacity

Bro just loves snapchat 😂
03/09/2026

Bro just loves snapchat 😂

সময়টা ২০০৮ সাল, পহেলা সেপ্টেম্বর।আবুধাবির ধনকুবের, আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপের শেখ মনসুর ঘোষণা দিলেন, ম্যানচেস্টারের নীল অং...
02/09/2026

সময়টা ২০০৮ সাল, পহেলা সেপ্টেম্বর।

আবুধাবির ধনকুবের, আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপের শেখ মনসুর ঘোষণা দিলেন, ম্যানচেস্টারের নীল অংশকে পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে দেওয়ার।

ক্লাবটির মালিকানা পাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই রবিনহোকে ব্রিটিশ রেকর্ড ৩২.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে নিয়ে আসে সিটি। একটা নতুন অধ্যায় শুরু হলো সেদিন।

এরপর কে খেলেনি এই ক্লাবে?

ইয়াইয়া তোরে, ডেভিড সিলভা, সার্জিও আগুয়েরো, ভিনসেন্ট কোম্পানি, কেভিন ডি ব্রুইনে আরো কত রথি মহারথি। কোচ হিসেবে এলেন রবার্তো মানচিনি, ম্যানুয়েল পেলেগ্রিনি। আর শেষ পর্যন্ত এলেন দ্য গ্রেটেস্ট পেপ গার্দিওলা।

একটা মালিকানা পরিবর্তন বদলে দিতে শুরু করল পুরো ক্লাবটাকে। তৈরি হতে শুরু করল একটি নতুন ম্যানচেস্টার সিটি।

২০১১ সালে এফএ কাপ দিয়ে শুরু। ২০১২ সালে প্রথম প্রিমিয়ার লিগ। এরপর আরও লিগ শিরোপা, এফএ কাপ, লিগ কাপ। আর যে ট্রফির জন্য ছিল দীর্ঘ অপেক্ষা, সেই চ্যাম্পিয়নস লিগও এলো ২০২৩ সালে। একই মৌসুমে ঐতিহাসিক ট্রেবলসহ পাঁচটি ট্রফি।১৮ বছরের সব মিলিয়ে জিতলেন ৩০টি ট্রফি।

ম্যানচেস্টার হয়ে গেলো নীল শহর! শুধু নীলদের জয়জয়কার।

কারণ এই একটি মালিকানা পরিবর্তনের সঙ্গে তৈরি হয়েছিল একটি নতুন স্ট্রাকচার, একটি নতুন সংস্কৃতি। ম্যানচেস্টার সিটি শুধু বড় হয়নি, ম্যানচেস্টার হয়ে উঠেছে আরও নীল।

এই মালিকানা পরিবর্তন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ক্লাবের মালিক হওয়ার বিষয় ছিল না। এটা একটা ডিএনএ তৈরি করেছে। একটা দর্শন তৈরি করেছে।

এখন যদি আপনাদের জিজ্ঞাসা করা হয়, পৃথিবীর অন্যতম সেরা ফুটবল একাডেমি কোনটি?
আপনারা অনায়াসেই বলবেন, ম্যানচেস্টার সিটি একাডেমি।

এই আঠারো বছরে সিটি হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক ফুটবলের অন্যতম বড় শক্তি। মাঠে, মাঠের বাইরে, একাডেমিতে, অবকাঠামোয়, পরিকল্পনায়, নেতৃত্বে। সব জায়গাতেই এসেছে পরিবর্তন।

আজ সেই ঐতিহাসিক দিনের আঠারো বছর।
তাই আজ শুধু একটা কথাই বলতে চাই,

ধন্যবাদ শেখ মনসুর।
ধন্যবাদ সিটি ফুটবল গ্রুপ।

একটি ক্লাবকে শুধু বড় করে তোলার জন্য নয়, আমাদের এমন একটি ম্যানচেস্টার সিটি উপহার দেওয়ার জন্য, যেটাকে আমরা হয়তো একসময় শুধু স্বপ্নে ছিলো।

আঠারো বছর। একটি বিপ্লব। একটি উত্তরাধিকার।
আর গল্পটা এখনো শেষ হয়নি।

কাম অন সিটি। 💙

02/09/2026

Enzo Fernández is here (Seventeen) 🩵

02/09/2026

Even though many legends have worn the number 17 before De Bruyne, no one comes close to the legacy He created with it. For an entire generation, De Bruyne means 17, 17 means De Bruyne. Whenever we see the number 17 anywhere in our lives, it somehow reminded us of Him, The King. Whether it’s Enzo or anyone else, they may or may not be able to carry on the legacy, but the emotion attached to the number 17 will always belong to De Bruyne. He just owns that number.

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cityzens Wing Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category