Mahfuj Alam

Contact the business

Mahfuj Alam Journalist I Commentator I Anchor I Voice Artist
And For You- Stories Behind The Score. MAHFUJ ALAM, mostly known by my nickname- MAHFUJ.

A JOURNALIST, currently working as Senior Reporter of T Sports (Only Sports channel of Bangladesh). also work as an ANCHOR II SPORTS COMMENTATOR II VOICE OVER ARTIST & TEACHER (spoken english & phonetics). TRAVELING is hobby, truly a passionate human being to see the world. FAMILY is always first priority & hardworking is the first choice to achieve something. He started his media journey through Radio Industry in 2009 joining as an RJ in Radio Dhaka (Currently Dhaka FM). Later in 2012, he joined Radio Bhumi 92.8 FM as Program Producer & Presenter. But just after 2 years, he became the Station Coordinator beside his regular duties of Producing, Program presenting & other official tasks. His Commentary career was started from this station & to be exact 16th April 2014, the first match of IPL season 7. Good to mention, until he left, He was the main producer & manager of all sports productions, commentary & programs which were the most popular segment of Radio Bhumi. His one of the most popular shows in Radio Bhumi was Ek Cup Gaan, an interactive & song request show, aired 5 days a week. This four-hour show carried the signature of the station and for the unique ways of interaction it got the highest popularity to the listeners among all the programs after sports commentary. We started seeing him on Channel-i since 2016 as a Sports Presenter. He presented a weekly show `From the Gallery' regularly. He presented varieties of programs there called- 'Khola Janala', 'Shilpolok', 'Ekusher Prohore' etc. Not only in program presentation, we found him working as a voice over artist there on promo, commercials, documentaries as well other items. Most from his radius, the people who know him by media industry do not know- As a teacher he has vast experience in teaching Phonetics (Pronunciation & Accent Training) and Real-Life Spoken English since 2008. He is prolific in teaching & conducting public speaking or seminars. As a teacher his footprint was remarkable in S@ifur’s, Future Group, Idea Bangladesh for years. He has a strong fascination for Education. He is one of the executive directors of Debidwar International Cadet School (Debidwar, Cumilla). He worked as a strategic planner, consultant & seminar conductor for the establishment of Presidency Internation School Cumilla. Cultural activities always attract him like anything. Along with the attractive presentation & sharp voice skills, he is an award winner poem reciter. During his school & college life, he attended so many competitions & won the national award on poem recitation in 2006. Beside this prominent award, he has got lots of awards in thana, district & divisional levels mostly on poem recitation, essay writing, extemporal speech etc. Despite of having so many engagements, he is a hardworking multitasker. He loves to dream, takes risks and strongly determined on his goals. No matter what comes up, we always find him strong, motivated, energetic & an enthusiastic person. Recently, we found him creating something new & special for all of us. We will be getting him on social media fully active with his skills & talents. You all will find something special on sports activities, learning English language, Career build up, skill developments & Entrepreneurship. Perhaps, we all are going to find RJ Mahfuj with a new name at all the social media platforms he belongs. The new name with new thoughts could be ‘with MAHFUJ’ & you all can catch him on Facebook, YouTube, Instagram, Twitter, Linked In & Web as well by this name with all his motivating & profound creativities. Lastly, don’t forget to catch his live commentary & analysis on Radio Shadhin’s Commentary Box during any series of Bangladesh Cricket, IPL or BPL. Good luck to all of you, have a wonderful journey ‘with MAHFUJ’.

বয়স হয়ে গেছে, ক্রিকেটও ছেড়েছেন বহুদিন। তবু ব্যাট হাতে নামলে এবি ডি ভিলিয়ার্স আর ক্রিস গেইলকে এখনো আলাদা করে চিনতে হয় না।...
04/10/2026

বয়স হয়ে গেছে, ক্রিকেটও ছেড়েছেন বহুদিন। তবু ব্যাট হাতে নামলে এবি ডি ভিলিয়ার্স আর ক্রিস গেইলকে এখনো আলাদা করে চিনতে হয় না।

WCL-এ ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়ন্সের বিপক্ষে এবি ৩৯ বলে ৭০, চারটি চার আর পাঁচটি ছক্কা। জবাবে গেইল ৩১ বলে ৬০, তার ব্যাটেও চারটি চার আর পাঁচটি ছক্কা। দুইজনের স্ট্রাইক রেটই ছিল চোখে পড়ার মতো।

এই ম্যাচগুলোর আসল আনন্দ সম্ভবত এখানেই। ফলের চেয়ে বেশি ভালো লাগে পুরোনো প্রিয় ক্রিকেটারদের আবার সেই পুরোনো ছন্দে দেখা।

সময় বয়স বাড়ায়, কিন্তু কিছু ব্যাটারের ক্লাসকে পুরোপুরি পুরোনো করতে পারে না।

বড় খেলোয়াড়দের একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে। নিজের দেশের হোক বা অন্য দেশের, ভালো কোনো কথা, ভালো কোনো শিক্ষা যদি কাজে লাগে, তার...
04/10/2026

বড় খেলোয়াড়দের একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে। নিজের দেশের হোক বা অন্য দেশের, ভালো কোনো কথা, ভালো কোনো শিক্ষা যদি কাজে লাগে, তারা সেটা মনে রাখে এবং সময় এলে কৃতিত্বটাও দিতে জানে।

ভারতের বিপক্ষে ১৬২ রানের অসাধারণ ইনিংসের পর শাই হোপ যেমন মনে করলেন এমএস ধোনির কথা। বললেন, ধোনি তাকে শিখিয়েছিলেন ফলাফল নিয়ে অস্থির না হয়ে ম্যাচটাকে ছোট ছোট ভাগে দেখতে, নিজের প্রসেসে থাকতে, আর শেষের জন্য কিছু রেখে দিতে।

ভাবতে ভালো লাগে, ভারতকে হারানোর পরও একজন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটার সেই জয়ের গল্পে একজন ভারতীয় কিংবদন্তির অবদান মনে রাখছেন।

বড় খেলোয়াড়রা শুধু রান বা ট্রফি দিয়ে বড় হন না, কৃতজ্ঞতা দেখাতেও বড় হন।

এশিয়ান গেমসের আলো নিভে গেল। সমাপনী অনুষ্ঠানে নাসুম আহমেদরা আছেন হাসিমুখে, চারপাশে অন্য দেশের অ্যাথলেটরা। ছবিটা সুন্দর। ক...
04/10/2026

এশিয়ান গেমসের আলো নিভে গেল। সমাপনী অনুষ্ঠানে নাসুম আহমেদরা আছেন হাসিমুখে, চারপাশে অন্য দেশের অ্যাথলেটরা। ছবিটা সুন্দর। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এবারের এশিয়ান গেমসের স্মৃতিটা খুব একটা সুন্দর হলো না।

পুরুষ দল এসেছিল সোনার স্বপ্ন নিয়ে। কোয়ার্টার ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় মাঠে না নেমেই সেমিফাইনাল, কিন্তু আসল পরীক্ষায় পাকিস্তানের কাছে হার। এরপরও ব্রোঞ্জ নিয়ে ফেরার সুযোগ ছিল। সেটাও শ্রীলঙ্কার কাছে ৬৩ রানের হারে শেষ। এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে ২০১০ সালে সোনা, ২০১৪ ও ২০২২ সালে ব্রোঞ্জ জেতা বাংলাদেশ এবারই প্রথম পুরুষ ক্রিকেটে ফিরল একেবারে খালি হাতে।

নারী দলের গল্পটাও প্রায় একই। সেমিফাইনালে ভারতের কাছে বড় হার, এরপর ব্রোঞ্জের ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ৩১ রানের পরাজয়। আগের এশিয়ান গেমসে যে পাকিস্তানকে হারিয়েই ব্রোঞ্জ জিতেছিল বাংলাদেশ, এবার সেই পদকটাই ফিরিয়ে নিল পাকিস্তান। অর্থাৎ পুরুষ ও নারী, দুই ক্রিকেট দলই এবার পদকহীন।

অথচ শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ পুরো এশিয়ান গেমস থেকে খালি হাতে ফিরছে না। সেই সম্মানটা বাঁচিয়েছেন উশুর জিন্নাত আক্তার। মেয়েদের ৫২ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতে তিনিই এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের এবারের আসরের একমাত্র পদক। আরও সুন্দর ব্যাপার, ১৯৮৬ সালে বক্সার মোশাররফ হোসেনের পর দীর্ঘ ৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তিগত পদক এটিই।

ক্রিকেটারদের নিয়ে আমাদের প্রত্যাশা সবসময়ই বেশি। সুযোগ-সুবিধা, পরিচিতি, পেশাদার কাঠামো, সব দিক থেকেই বাংলাদেশের অন্য অনেক খেলাধুলার চেয়ে ক্রিকেট অনেক এগিয়ে। অথচ এত বড় একটা আসর শেষে দেশের একমাত্র পদকটা এলো এমন একজন অ্যাথলেটের হাত ধরে, যাকে এই গেমসের আগে দেশের বেশিরভাগ মানুষ হয়তো চিনতেনও না।

সমাপনী অনুষ্ঠানের এই হাসিমুখগুলো তাই ভালো লাগে, আবার একটু ভাবায়ও।

ক্রিকেট ফিরছে পদক ছাড়া, আর বাংলাদেশের মুখটা বাঁচিয়ে ফিরছেন জিন্নাত আক্তার। কখনো কখনো একটা ব্রোঞ্জও অনেক বড় গল্প বলে দেয়।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর উত্তরটা কথায় নয়, ব্যাটেই দিলেন মাহমুদুল হাসান জয়।অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দল থেকে জা...
04/10/2026

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর উত্তরটা কথায় নয়, ব্যাটেই দিলেন মাহমুদুল হাসান জয়।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দল থেকে জায়গা হারিয়েছিলেন তিনি। কারণও ছিল পরিষ্কার, টপ অর্ডারে ধারাবাহিকভাবে বড় ইনিংস আসছিল না। নির্বাচকেরা অন্যদিকে তাকিয়েছেন, আর জয়ের সামনে তখন পুরোনো রাস্তাটাই খোলা ছিল, ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে আবার রান করা।

এবারের এনসিএলের প্রথম ম্যাচেই সেই কাজটা করলেন জয়। রাজশাহীর ৩৬৪ রানের জবাবে চট্টগ্রামের হয়ে ওপেন করতে নেমে দ্বিতীয় দিন শেষ করলেন ১৭০ বলে অপরাজিত ১০২ রানে, ৮টি চার আর ২টি ছক্কায় সাজানো ইনিংস। সাদিকুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে উদ্বোধনী জুটিতেই তুলেছেন অবিচ্ছিন্ন ১৯০ রান। ফলে বড় স্কোরের জবাব দিতে নেমেও চট্টগ্রাম দিন শেষ করেছে কোনো উইকেট না হারিয়েই।

ইনিংসটার সঙ্গে আরেকটা ছোট মাইলফলকও জড়িয়ে আছে। ৮৭ রানে পৌঁছানোর সময় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩ হাজার রান পূর্ণ করেছেন জয়। আর এই শতকটি তার প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের সপ্তম।

মজার ব্যাপার, গত এনসিএলের শুরুটাও রাজশাহীর বিপক্ষে সেঞ্চুরি দিয়েই করেছিলেন তিনি। সেবার করেছিলেন ১২৭। নতুন মৌসুম, আবার রাজশাহী, আবার জয়ের ব্যাটে শতক।

জয়কে নিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটে আলোচনা নতুন নয়। টেকনিক আছে, ধৈর্য আছে, বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্যও দেখিয়েছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সমস্যাটা হয়েছে ধারাবাহিকতায়। তাই এই ১০২* হয়তো শুধু একটা ঘরোয়া সেঞ্চুরি নয়, আবারও নিজের নামটা মনে করিয়ে দেওয়ার শুরু।

জাতীয় দলে ফেরার সবচেয়ে ভালো রাস্তা শেষ পর্যন্ত এটাই তো। রান করুন, এত রান করুন যেন আপনাকে উপেক্ষা করাটাই কঠিন হয়ে যায়।

অনেকের শৈশবের ক্রিকেটপ্রেম; এই এক ছবিতেই...
04/10/2026

অনেকের শৈশবের ক্রিকেটপ্রেম; এই এক ছবিতেই...

শাই হোপ যেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের নামের সঙ্গে থাকা ‘হোপ’টাকেই আবার সত্যি করে দিলেন।সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৪০৫ রান করেও জিততে...
03/10/2026

শাই হোপ যেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের নামের সঙ্গে থাকা ‘হোপ’টাকেই আবার সত্যি করে দিলেন।

সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৪০৫ রান করেও জিততে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই ম্যাচে হোপ করেছিলেন ১০৪, কিন্তু শুভমান গিলের ২২৩ রানের ইনিংসের সামনে সেই সেঞ্চুরিটাও শেষ পর্যন্ত হারের গল্পে হারিয়ে যায়।

দুই দিন পর আবার সামনে ভারত। এবার লক্ষ্য ৩৫২।

এর আগে পুরো ৫০ ওভার উইকেটকিপিং করেছেন হোপ। তারপর ওপেন করতে নেমে একপ্রান্ত ধরে থেকেছেন প্রায় পুরো ইনিংস। মাঝে ক্র্যাম্পে ভুগেছেন, শরীরও খুব একটা সায় দিচ্ছিল না। কিন্তু ব্যাটটা থামেনি। শেষ পর্যন্ত ১৪৩ বলে অপরাজিত ১৬২, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ বল হাতে রেখেই পৌঁছে গেল ৩৫২ রানে।

এই ১৬২ শুধু আরেকটা বড় ইনিংস নয়। ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে কোনো ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস এখন হোপের। ১৯৮৯ সালে ডেসমন্ড হেইন্সের অপরাজিত ১৫২ রানের রেকর্ডও পেছনে পড়ে গেল। আর ৩৫২ তাড়া করে এই জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ সফল রানচেজ।

সিরিজটা অবশ্য আগেই হারিয়েছিল ক্যারিবিয়ানরা। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে নিয়েছিল ভারত। তাই এই জয় সিরিজের ফল বদলায়নি, বদলেছে শেষটার স্বাদ। ভারতের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার বদলে ২-১ নিয়ে ফিরছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আর ভারতের বিপক্ষে তাদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার একটা জয়ও এসেছে।

হোপের ব্যাটিংয়ে খুব বেশি নাটক থাকে না। খুব বেশি দেখনদারিও নেই। কিন্তু বড় রান তাড়া করতে গিয়ে কখন গতি বাড়াতে হবে, কখন শুধু উইকেটে পড়ে থাকতে হবে, সেই হিসাবটা তিনি খুব ভালো করেই জানেন।

আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেও দলকে জেতাতে পারেননি। এবার আর কাজটা অসম্পূর্ণ রাখলেন না।

নামের মতোই, ওয়েস্ট ইন্ডিজের আশাটাও শেষ পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখলেন শাই হোপ।

লিটন দাসকে আজকের ম্যাচের পর বেশ কঠিন কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কারণটাও পরিষ্কার। দল পদক পেল না, নিজের ব্যাটেও রা...
03/10/2026

লিটন দাসকে আজকের ম্যাচের পর বেশ কঠিন কিছু প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কারণটাও পরিষ্কার। দল পদক পেল না, নিজের ব্যাটেও রান নেই, আর অধিনায়ক হিসেবে দায়টা শেষ পর্যন্ত তার দিকেও আসবেই।

নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে লিটন ঘুরিয়ে কিছু বলেননি। বলেছেন, দুই ম্যাচেই তিনি ভালো করতে পারেননি, তার পারফরম্যান্স ‘আপ টু দ্য মার্ক’ ছিল না। দলের ব্যর্থতা নিয়েও একই কথা, বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেনি, তাই সুযোগগুলো হাতছাড়া হয়েছে।

এরপরই আসে অধিনায়কত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গ।

লিটনের উত্তর, “না, রিজাইন করতে চাই না। ক্রিকেটে আপস অ্যান্ড ডাউনস থাকে। একদিন ভালো হবে, একদিন খারাপ হবে। এখানে রিজাইনের তো কিছু নেই।”

তবে প্রেস কনফারেন্সটা এরপর আর খুব স্বাভাবিক থাকেনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথার টানাপোড়েন হয়েছে, প্রশ্ন এসেছে ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা, এশিয়ান গেমসকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে, এমনকি সরাসরি পদত্যাগের কথাও উঠেছে। এক পর্যায়ে বিরক্ত লিটন বলে বসেন, “এশিয়ান গেমস থেকে রিজাইন করলাম। নেক্সট কোয়েশ্চেন প্লিজ।”

লিটন এটাও পরিষ্কার করেছেন, দল এশিয়ান গেমসকে হালকাভাবে নেয়নি। প্র্যাকটিস সুবিধা ছিল না, খাবার নিয়েও সমস্যা ছিল, এসব কারণেই খেলোয়াড়দের বাইরে যেতে হয়েছে, শুধুমাত্র শপিং করতে গিয়েছে; এমন নয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি একটা কথাই মেনে নিয়েছেন, বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেনি।

একদিন ভালো হবে, আরেকদিন খারাপ হবে, ক্রিকেটে সেটা ঠিক। কিন্তু অধিনায়ক যখন নিজেও রান পাচ্ছেন না, দলও যখন টানা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হারছে, তখন প্রশ্ন আসবেই।

এখন লিটনের সামনে সবচেয়ে ভালো উত্তর একটাই, মাঠের পারফরম্যান্স।

ব্যাগি টুপি, অধিনায়কের গায়ে ব্লেজার, জমকালো উদ্বোধন- যে এনসিএলের গায়ে এতদিন লেপ্টে ছিল পিকনিক লিগের তকমা, সেই এনসিএলই এ...
03/10/2026

ব্যাগি টুপি, অধিনায়কের গায়ে ব্লেজার, জমকালো উদ্বোধন- যে এনসিএলের গায়ে এতদিন লেপ্টে ছিল পিকনিক লিগের তকমা, সেই এনসিএলই এখন উদাহরণ...

লিটন দাসের ব্যাটে রান যেন হঠাৎ করেই হারিয়ে গেছে।অস্ট্রেলিয়া সফরের দুই টেস্টে ব্যাট করতে নেমেছিলেন তিনবার, তিনবারই শূন্য।...
03/10/2026

লিটন দাসের ব্যাটে রান যেন হঠাৎ করেই হারিয়ে গেছে।

অস্ট্রেলিয়া সফরের দুই টেস্টে ব্যাট করতে নেমেছিলেন তিনবার, তিনবারই শূন্য। এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই শূন্যের বৃত্ত ভাঙলেও রান করেছিলেন মাত্র ২। আজ ব্রোঞ্জের ম্যাচে আবারও শূন্য, নুয়ান থুশারার ইয়র্কারে প্রথম বলেই বোল্ড।

হিসাবটা তাই বেশ অস্বস্তিকর। সর্বশেষ পাঁচ আন্তর্জাতিক ইনিংসে লিটনের রান ০, ০, ০, ২, ০। পাঁচ ইনিংসে মোট ২ রান, চারটি ডাক।অস্ট্রেলিয়া সফরে টানা তিন ডাকের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ২, এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গোল্ডেন ডাক।

লিটনকে নিয়ে হতাশাটা হয়তো এখানেই বেশি। কারণ তার ব্যাটিংয়ের সামর্থ্য নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। ছন্দে থাকা লিটনের ব্যাটিং দেখতে বাংলাদেশের আর দশজন ব্যাটারের মতো লাগে না। সময় থাকে, শট থাকে, খুব কঠিন বলকেও সহজ দেখানোর একটা ক্ষমতা আছে। কিন্তু সেই লিটনই যখন এমন একটা সময়ে পাঁচ ইনিংসে চারবার শূন্য করেন, তখন ব্যাপারটা শুধু ‘খারাপ একটা ম্যাচ’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে না।

আজ বাংলাদেশ যখন ১৬৬ তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে, অধিনায়কের কাছ থেকে অন্তত কিছুটা স্থিরতা দরকার ছিল। সেখানে প্রথম বলেই ফিরে গেলেন তিনি। এরপর বাংলাদেশের ইনিংসও আর দাঁড়ায়নি।

ফর্ম খারাপ হতেই পারে। বড় ব্যাটারদেরও হয়। কিন্তু লিটনের এই রানহীন সময়টা কত দ্রুত শেষ হয়, সেটাই এখন দেখার। কারণ বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে যে লিটনকে দরকার, গত পাঁচ ইনিংসে সেই লিটনকে তো দেখা যায়নি।

স্কোরকার্ডে মুস্তাফিজের নামের পাশে ২ উইকেট। কিন্তু এই স্পেলটা সম্ভবত তিনি খুব দ্রুতই ভুলে যেতে চাইবেন।যখন ফিজকে প্রথম বো...
03/10/2026

স্কোরকার্ডে মুস্তাফিজের নামের পাশে ২ উইকেট। কিন্তু এই স্পেলটা সম্ভবত তিনি খুব দ্রুতই ভুলে যেতে চাইবেন।

যখন ফিজকে প্রথম বোলিংয়ে আনা হলো, শ্রীলঙ্কা তখন ৬৩/৫। বাংলাদেশের স্পিনাররা ম্যাচটা ভালোভাবেই আটকে রেখেছিলেন। কিন্তু মুস্তাফিজের প্রথম ওভারেই বদলে গেল ছন্দটা। চার, নো বল, পাঁচ ওয়াইড, আবার ছক্কা, সব মিলিয়ে সেই এক ওভারেই গেল ২৫ রান। থারিন্দু রত্নায়েকে তখন থেকেই যেন বুঝে গেলেন, পাল্টা আক্রমণের সুযোগ এসে গেছে।

শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজ ৩ ওভারে দিয়েছেন ৪৩ রান, ইকোনমি ১৪.৩৩। অবশ্য শেষ ওভারে ফিরে রত্নায়েকের ৬৫ রানের ইনিংসটা থামিয়েছেন, পরের দিকে আরও একটি উইকেটও নিয়েছেন। তাই কাগজে ২/৪৩, কিন্তু ম্যাচের গল্পটা শুধু ওই দুই উইকেট দিয়ে বোঝা যাবে না।

মুস্তাফিজকে আমরা এত বছর ধরে চিনি এমন একজন বোলার হিসেবে, যিনি কঠিন সময়ে এসে রান আটকে দেবেন, ব্যাটারকে ভুল করাবেন। আজ, এবং গত ম্যাচটায়ও হয়েছে ঠিক উল্টোটা। আজও যে সময় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি দরকার ছিল তার নিয়ন্ত্রণ, সেখানেই একটা ওভার শ্রীলঙ্কাকে ম্যাচে ফেরার রাস্তা করে দিলো।

দুই উইকেট পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু আজকের মুস্তাফিজকে দেখে প্রশ্নটা থাকেই, বড় ম্যাচের কঠিন সময়ে পুরোনো সেই ‘ফিজ’কে আমরা আবার কবে নিয়মিত দেখতে পাব?

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahfuj Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mahfuj Alam:

Shortcuts

Share

Category