17/09/2026
⚽ 2nd Intra Vhorerpakhi Football Tournament 2026
মাঠে ছয় দল—হৃদয়ে এক দল, ভোরের পাখি
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আলহামদুলিল্লাহ।
আসন্ন 2nd Intra Vhorerpakhi Football Tournament 2026 সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে ছয় দলের আইকনিক প্লেয়ারদের সঙ্গে সম্মানিত উপদেষ্টা জনাব জাহাঙ্গীর আলম ও ডা. বিমল চৌধুরী মহোদয়, স্থায়ী কমিটি এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় টুর্নামেন্টের জার্সির রং, খেলার সময়সূচি, নিয়মাবলি, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে খেলা পরিচালনা করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
লটারিতে নির্ধারিত ৬ দলের জার্সির রং
সবার উপস্থিতিতে স্বচ্ছতার সঙ্গে লটারির মাধ্যমে দলের জার্সির রং নির্ধারণ করা হয়—
🔴 হাসনাহেনা — লাল
⚪ সূর্যমুখী — সাদা
🟢 কৃষ্ণচূড়া — সবুজ
🟣 অপরাজিতা — বেগুনি
🔵 রজনীগন্ধা — আকাশি
🟠 শাপলা — কমলা
লটারি কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনা করেন আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সম্পাদক জনাব আবদুল্লাহ আল ইমরান।
🏆 জার্সি ও ট্রফি উন্মোচন
📅 ১৬/১০/২০২৬, শুক্রবার
🔥 উদ্বোধনী পর্বের ম্যাচ
⚽ ১ম ম্যাচ: সূর্যমুখী 🆚 শাপলা
📅 ৩০/১০/২০২৬, শুক্রবার | ⏰ সকাল ৬টা
⚽ ২য় ম্যাচ: কৃষ্ণচূড়া 🆚 হাসনাহেনা
📅 ৩০/১০/২০২৬, শুক্রবার | ⏰ সকাল ৭টা
⚽ ৩য় ম্যাচ: অপরাজিতা 🆚 রজনীগন্ধা
📅 ৩১/১০/২০২৬, শনিবার | ⏰ সকাল ৬টা
**** টুর্নামেন্টের নিয়মাবলি ও আচরণবিধি
১. গ্রুপ পর্ব: প্রতিটি দল অন্য পাঁচটি দলের সঙ্গে একবার করে খেলবে। অর্থাৎ গ্রুপ পর্বে প্রত্যেক দল মোট ৫টি ম্যাচ খেলবে।
২. দ্বিতীয় রাউন্ড: গ্রুপ পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ ৪টি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে উত্তীর্ণ হবে।
৩. দ্বিতীয় রাউন্ডের লড়াই: পয়েন্ট তালিকার ১ম দল বনাম ৩য় দল এবং ২য় দল বনাম ৪র্থ দল মুখোমুখি হবে।
৪. একাদশ: প্রতিটি দল ১১ জন খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে নামবে।
৫. অফসাইড: এই টুর্নামেন্টে অফসাইডের নিয়ম থাকবে না।
৬. হলুদ কার্ড: হলুদ কার্ড পাওয়া খেলোয়াড়কে ১০০ টাকা জরিমানা এবং ৩ মিনিট মাঠের বাইরে থাকতে হবে।
৭. দ্বিতীয় হলুদ কার্ড: একই ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় ওই ম্যাচে আর খেলতে পারবেন না। তবে তাঁর পরিবর্তে অন্য একজন খেলোয়াড় মাঠে নামতে পারবেন।
৮. লাল কার্ড ও অসৌজন্যমূলক আচরণ: মাঠে বা মাঠের বাইরে রেফারির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক কিংবা অশৃঙ্খল আচরণ করলে লাল কার্ড দেওয়া হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় পরবর্তী ম্যাচেও অংশগ্রহণের সুযোগ হারাতে পারেন।
৯. রেফারির সিদ্ধান্ত: মাঠে রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। রেফারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিটি বা অন্য কারও কাছে অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না।
১০. সমান পয়েন্ট: দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে গোলের হিসাব, কার্ডের রেকর্ডসহ টুর্নামেন্ট কমিটি নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
১১. নিরাপত্তা সবার আগে: ইচ্ছাকৃত বিপজ্জনক ট্যাকল, আঘাতের চেষ্টা বা প্রতিপক্ষের শারীরিক ক্ষতি হতে পারে—এমন খেলা পরিহার করতে হবে। একটি গোল বা জয়ের চেয়ে একজন সদস্যের সুস্থতা বেশি মূল্যবান।
১২. প্রতিপক্ষ নয়, আমরা এক পরিবার: মাঠে ছয়টি দল প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও মাঠের বাইরে সবাই ভোরের পাখি পরিবারের সদস্য।
১৩. পারস্পরিক সম্মান: সিনিয়র-জুনিয়র, সতীর্থ, প্রতিপক্ষ, রেফারি ও কর্মকর্তাদের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে হবে। কটূক্তি, অপমান বা উসকানিমূলক আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
১৪. প্রতিদ্বন্দ্বিতা মাঠেই শেষ: ম্যাচের কোনো ঘটনা নিয়ে পরে ব্যক্তিগত বিরোধ, দলাদলি বা মনোমালিন্য সৃষ্টি করা যাবে না।
১৫. উত্তেজনায় সংযম: ফাউল, গোল, কার্ড বা সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি বা আক্রমণাত্মক আচরণ করা যাবে না। দলের দায়িত্বশীলরা নিজ নিজ খেলোয়াড়দের শান্ত রাখবেন।
১৬. কমিটির প্রতি আস্থা: টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত সবাইকে সম্মানের সঙ্গে মেনে চলতে হবে। ব্যক্তিগত মতের চেয়ে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থ ও শৃঙ্খলা প্রাধান্য পাবে।
১৭. সময়ানুবর্তিতা: প্রতিটি দলকে নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠে উপস্থিত হয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে। সময়ানুবর্তিতা ভোরের পাখির শৃঙ্খলার অংশ।
১৮. সুন্দর খেলাকে সম্মান: নিজের দলের পাশাপাশি প্রতিপক্ষের ভালো খেলা ও সুন্দর আচরণকেও প্রশংসা করতে হবে। ম্যাচ শেষে জয়ী ও পরাজিত দল পরস্পরের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে।
১৯. নতুনদের উৎসাহ: অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা নতুন ও অপেক্ষাকৃত কম দক্ষ সদস্যদের সহযোগিতা ও উৎসাহ দেবেন। কারণ আমাদের লক্ষ্য সবাইকে সুস্থ ও সক্রিয় রাখা।
২০. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ মাঠে ও মাঠের বাইরে সৌহার্দ্য: টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে কোনো খেলোয়াড়, দল, রেফারি বা কমিটিকে হেয় করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বস মাঠে বা মাঠের বাইরে কোন পোস্ট বা মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
২১. বিপদে সবাই একসঙ্গে: মাঠে কেউ অসুস্থ বা আহত হলে দল-মত ভুলে সবাই সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন। খেলার আগে মানুষ, প্রতিযোগিতার আগে ভ্রাতৃত্ব।
২২. জয়-পরাজয়ে ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা: জয়ে অহংকার নয়, পরাজয়ে ক্ষোভ নয়। জয়ী দল বিনয়ী থাকবে এবং পরাজিত দল ফলাফলকে হাসিমুখে গ্রহণ করবে।
২৩. সংগঠনের ভাবমূর্তি: প্রতিটি খেলোয়াড়ের আচরণে ভোরের পাখির একতা, ভ্রাতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্যের পরিচয় ফুটে উঠবে।
২৪. সুস্থতাই আমাদের সবচেয়ে বড় ট্রফি: ভোরের পাখির ফুটবল কোনো পেশাদার প্রতিযোগিতা নয়—এটি ব্যায়াম, আনন্দ, সুস্থতা ও ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলা। তাই ট্রফি বা ফলাফলের চেয়ে আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সুস্থতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া ৩০/১০/২০২৬, শুক্রবার উদ্বোধনী খেলা উপলক্ষে আমাদের অমুসলিম ভাইদের সৌজন্যে ছাগলের বিশেষ আয়োজন থাকবে।
"খেলা হোক আনন্দের,
প্রতিযোগিতা হোক সৌহার্দ্যের,
বন্ধন হোক ভ্রাতৃত্বের,
আর সবচেয়ে বড় জয় হোক সুস্থতার।"
“চলুন ফিরে যাই শৈশবের সোনালী মুহূর্তে—খেলায় মেতে উঠি, সুস্থতায় বেঁচে থাকি।”
পরিচালনা কমিটি
ভোরের পাখি
🌐
"সুস্থদেহ সুস্থমন” আমরা সবাই আপনজন এই শ্লোগান ধারন করে একটি বৎসর খুবই চমৎকার ভাবে শেষ করে বর্ষপুর্তি উৎযাপন করছে.....