16/02/2023
গল্পের নামঃ # _বেস্টফ্রেন্ডের_সাথে_বিয়ে
লেখকঃ sweet ( আমি নিজেই)
পর্বঃ ০৫
কথাটা বলার পরেই সুমাইয়া রাগি চোখে আমার দিকে তাকালো!! এখনি হয়তো কাচা গিলে খাবে আমাকে!!
আমিঃ- আচ্ছা আয় এবারের মতো নিয়ে যাই!!
সুমাইয়াঃ- থাক তোর নিয়ে যাওয়া লাগবে না!!
অভিমানে মুখ ফিরেয়ে চলে আসতেছে তখনই টান দিয়ে কোলে তুলে নিলাম!!
সুমাইয়াঃ- ছাড় আমাকে ধরবি না একদম!!
আমি- সরি,,, আর বলবো না!!
সুমাইয়াঃ- হুম!! ( বলেই আমার গলা জড়িয়ে ধরে কোলে বসে আছে!!)
তারপর সোজা নিয়ে রুমে নামিয়ে দিলাম তারপর ড্রায়ার থেকে একটা মলম নিয়ে এসে আমার সামনে হাজির হলো!!
সুমাইয়াঃ- ঐ তুই তোর..............!!!
👇
👇
👇
👇
👇
সুমাইয়াঃ- ঐ তুই তোর টি-শার্ট টা খুলে আমার কুলে শুয়ে পড় আমি মলম লাগিয়ে দিচ্ছি!!
আমিঃ- থাক মলম লাগাতে হবে না!! আর তোর সামনে গায়ের টি-শার্ট খুলবো কিভাবে!! তার চেয়ে ভালো লাগানোই লাগবে না!!
সুমাইয়াঃ- চুপ!! বেশি কথা না বলে যা বলেছি তা কর তাড়াতাড়ি!! এহহ এসেছে লজুক সাহেব বউয়ের সামনে কাপড় খুললে ওনার সম্মান চলে যাবে!!
আমিঃ- এমনি লাগিয়ে দে টি-শার্ট খুলার কি দরকার!
সুমাইয়াঃ- তুই নিজে খুলে আসবি না আমি উঠে খুলে দিবো তোর টি-শার্ট কোনটা
আমিঃ- তোর খুলতে হবে না!! নিজেই পাড়বো বলে টি-শার্টটা খুলে উল্টে হিমার কোলে শুয়ে গেলাম!!
তারপর সুমাইয়া কামড় দেওয়ার জায়গাটায় মলম লাগিয়ে দিতে লাগলো!!আর আরেক হাত দিয়ে মাথার চুলগুলো টেনে দিতে লাগলো!!
আমার একটা দুর্বলতা আছে আর সেটা হলো!!আমি শুয়ে থাকা অবস্থায় যদি কেউ আমার চুলগুলো টেনে দেয় তাহলে আমি খুব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যাই!! আর এটা সুমাইয়াও জানতো!! তাই এবারও বেশি একটা দেরি হয় নি ঘুমাতে!!
ঘুম ভাঙ্গলো সুমাইয়ার ডাকে!! তাকিয়ে দেখি এখনো ঐভাবেই শুয়ে আছি আর সুমাইয়া খাটের সাথে পিঠ ঠেকিয়ে বসে বসে মোবাইল টিপতেছে!!
সুমাইয়াঃ- কিরে রাতে খাবি না!!
আমিঃ- হুম!!
সুমাইয়াঃ- আম্মু ডাকতে এসেছিলো উঠে ফ্রেশ হয়ে আয় নিচে যেতে হবে!!
আমিঃ- আম্মু এসে কি আমাকে এভাবে ঘুমাতে দেখে গেছে!!
সুমাইয়াঃ- এভাবে মানে??
আমিঃ- মানে তোর কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে আছি!!
সুমাইয়াঃ- হুম কেনো??
আমিঃ- তুই মারবি আমাকে!! আম্মু দেখে কি ভেবেছে বল তো!!আর তুই আমার চুলগুলো টেনে দিতে গেলি কেনো!!
সুমাইয়াঃ- মন চেয়েছে তাই!! আর আম্মু কি ভাববে হ্যা!! ওনারা কি এই বয়সটা পার করেনি!! ওনারা কি জানেন না কি হবে এখন!!এসব চিন্তা বাদ দিয়ে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আয় নিচে যেতে হবে আবার!!
আমিঃ- আমার টি-শার্টটা কোথায়!!
সুমাইয়াঃ- এই নে!! ( বলেই টি-শার্টটা হাতে ধরিয়ে দিলো)
তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে দুজনে চলে গেলাম নিচে!! খাওয়া-দাওয়া করে আবার উপরে চলে আসলাম!!
এসে আমি খাটের সাথে খেলান দিয়ে বই পড়তে ছিলাম তখনই সুমাইয়া রুমে আসলো!
সুমাইয়াঃ কিরে বউ রেখে একা-একা কি করছিস!!
বলেই আমার বুকে মাথা দিয়ে কি পড়ছি তা দেখতে বসে গেলো!!!
আমিঃ- ঐ তুই কি শুরু করলি!!শান্তিতে একটু কাজগুলো করতে দে..?? তুই ঘুমিয়ে যা কাল তো আবার তোকে তোদের বাসায় যেতে হবে!!
সুমাইয়াঃ- তুই যাবি না!
আমিঃ- নাহহ!!
সুমাইয়াঃ- ওকে!! আব্বুকে দিয়ে তোকে সোজা করতে হবে!! আর আমাদের বাসা থেকে ঘুরে আসার আগে কোনো লেখাপড়া নেই বুঝলি!! ( বলেই বইটা টান মেরে নিয়ে গেলো)
আমিঃ- তো এখন কি করবো!!
সুমাইয়াঃ- ঘুমাবি আমার সাথে!!
আমিঃ- আমি একটু আগে ঘুম থেকে উঠেছি তাই এখন আর ঘুমাতে পারবো না!!
সুমাইয়াঃ- তাহলে দুজনে মিলে একটা কাজ করতে পারি!!
আমিঃ- কি কাজ!!
সুমাইয়াঃ- চল আমরা S*x করি!!
সুমাইয়ার কথা শুনে টাসকি খেয়ে গেলাম!! কি বলবো কিছুই বুঝতেছি না!! এটা তো সেই সুমাইয়া না যাকে আমি বিয়ের আগে চিনতাম!😮😮😯
সুমাইয়াঃ- কিরে কি বলিস!!
আমিঃ- ঐ তুই কি বলছিস!! মাথা ঠিক আছে তো তোর!! গাজা খেয়ে এসেছিস নাকি!! ঘুমা নাহলে আমি এখনই রুম থেকে চলে যাবো বলে দিলাম!!?
সুমাইয়াঃ- ওকে ওকে!! আয় দুজনে ঘুমিয়ে যাই!!আর এমন ভাবে অবাক হওয়ার কি আছে!!
তারপর সুমাইয়া আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে গেলো!!
এভাবে কেটে গেলো একসপ্তাহ!! বিয়ের সব ঝামেলা শেষ করে ফেললাম!! কিন্তু দিন দিন সুমাইয়ার পাগলামি বাড়তেছে!!
সকালে রেডি হয়ে সুমাইয়াকে নিয়ে কলেজে গেলাম!! সবার খোজখবর নিয়ে আমি বসে বসে আড্ডা দিতেছিলাম!! সুমাইয়া চলে গেলো মেয়ে ফ্রেন্ডগুলোর সাথে আড্ডা দিতে!!
ক্লাস শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগে তিশা আমার কাছে আসলো!! তিশা হলো পুরো কলেজের ক্রাশ সেই সূত্রে আমারও ক্রাশ!!তিশা আমাকে ডাক দিয়ে নিয়ে যায় কি বলবে বলে!! আমিও তিশাকে নিয়ে একটা গাছের নিচে গিয়ে দাড়ালাম!!
তিশাঃ- কি অবস্থা হুসাইন এতদিন কোথায় ছিলে!!
আমিঃ- এতদিন বিয়ে নিয়ে একটু বিজি ছিলাম তাই আসতে পারি নাই!!
তিশাঃ- তা বিয়ে করে ফেলেছো আমাদের কাউকে তো দাওয়াতও দিলে না!
আমিঃ- আসলে বিয়ে যে করবো সেটা আমিও জানি না!!সবকিছু হঠ্যাৎ করে হয়ে গেলো তাই কাউকেই বলার সুযোগ হয় নি!!
তিশাঃ- তাই নাকি কি হয়েছে বলোতো একটু শুনি!
আমিঃ- আসলে( তারপর সবকিছু তিশাকে খুলে বললাম)
তিশাঃ- যা হয়েছে তা ভালোই হয়েছে!! কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল করেছো হুসাইন তুমি!!
আমিঃ- নাহহ!! কি??
তিশাঃ- সুমাইয়া সেই কখন থেকে আমাদের লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতেছে!
আমিঃ- তাই নাকি তাহলে তো ম্যাডামকে একটা শিক্ষা দিতে হয়!
তিশাঃ- কিভাবে??
আমিঃ- তুমি যদি কিছু মনে না করো তাহলে তোমার হাত পারি!! তাহলে সুমাইয়া দেখবে রেগে চলে গেছে!!
তিশাঃ- ওকে!! বাট পরে আবার তোমাকে মারবে না তো!! সুমাইয়া যেই রাগি!!
আমিঃ- তোমাকে এসব নিয়ে চিন্তা করতে হবে না!!( বলেই হালকা করে হাতটা ধরলাম)
ব্যাস তারপরেই নাকি সুমাইয়া রেগে সেখান থেকে চলে গেছে!! বুঝলাম আজকে একটা কিছু হবে!!
আমিঃ- আচ্ছা এখন বলো আমাকে এখানে নিয়ে আসার কারণ কি..??
তিশাঃ- আসলে তোমার ফ্রেন্ড তৌফিক এর নাম্বারটা লাগবে!!
আমিঃ- ওহ আমাকে না জানিয়ে এতদূরে চলে গেছো তোমরা!!
তিশাঃ- আরে তৌফিক তো এখনো জানেই না!!আর তাইতো তোমার কাছ থেকে নাম্বারটা নিচ্ছি!!
আমিঃ- ওকে 017**!! আর কোনো হেল্প লাগলে বলবে!! আমি আছি তোমাদের পাশে!!
তিশাঃ- ওকে!!
আমিঃ- আচ্ছা চলো ক্লাসের সময় হয়ে গেছে এবার যাওয়া যাক!!
তিশাঃ- হুম চলো!
তারপর দুজনেই ক্লাসে চলে আসলাম!! কিন্তু ক্লাসের কোথাও সুমাইয়াকে দেখতে পেলাম না!! বুঝে গেলাম বাসায় চলে গেছে!!তাই ক্লাস শেষ করে বিকেলে বাসায় চলে আসলাম!!
রুমে এসেই দেখি সুমাইয়া ঘুমিয়ে আছে!! চোখগুলো ফুলে আছে মানে হয়তো পাগলিটা কান্না করেছে!! এই মেয়েটার কবে যে আক্কেল হবে আল্লাই জানে!!
ফ্রেশ হয়ে ওয়াশরুম থেকে বেড়ুতেই গালে একটা চড় বসিয়ে দিলো!! তাকিয়ে দেখি সুমাইয়ার লাল চোখে তাকিয়ে আছে আমার দিকে!!
সুমাইয়াঃ- ঐ তোকে কাল রাতে S*x করার কথা বলায় এমন ভাব নিয়েছিলি যে তুই কিছুই বুঝিস না!! আর আজকে কলেজে গিয়েই লুচ্চামি শুরু করে দিলি!!
আমিঃ- তুই গাছের পিছনে লুকিয়ে কথা শুনছিলি কেনো ঐটা বল!!
সুমাইয়াঃ- তোরা আমাকে দেখেছিলি!!
আমিঃ- হুম আর তোকে দেখেই একটু একটিং করেছি!! আর স্বামীকে সন্দেহ করাটা বন্ধ কর পেত্নী!!
সুমাইয়াঃ-এগুলো আগে বলিস নি কেনো..?? তাহলেই তো থাপ্পড়টা খেতে হতো না!!
আমিঃ- হুম সর এখান থেকে!! আর ভুলেও যদি একবার হাত তুলিস আমার উপর তাহলে তোর হাত-পা ভেঙ্গে তোর কাধে ঝুলিয়ে রাখবো বলে দিলাম!!
সুমাইয়াঃ- তুই কোনো মেয়েদের দিকে তাকাস না তাহলেই আমি আর তোকে মারবো না!!
আমিঃ- ঠিক আছে তাহলে আজ থেকে তোর দিকেও তাকাবো না!!?
সুমাইয়াঃ- আমার দিকে না তাকালে মিনিটে দশটা থাপ্পড় খাবি বলে দিলাম!
আমিঃ- তুই না বললি কোনো মেয়ের দিকে না তাকাতে!! তাহলে আবার তোর দিকে কিভাবে তাকাবো!! নাকি তুই পুরুষ কোনটা!!
সুমাইয়াঃ- চুপ!! বেশি কথা বলবি না!! আমি ছাড়া আর কোনো মেয়ের দিকে সহজে তাকাবি না!! আর তাকালে থাপ্পড়ের কথাটা মনে করিস!!
আমিঃ- মনে থাকবে না!! আর সর সামনে থেকে??
সুমাইয়াঃ- নাহ!!হুসাইন এই সন্ধায় একটু আদর কর না আমাকে!!
আমিঃ- আমাকে মেরেছিস মনে নেই!! তোকে আদর তো দূর আমার কাছেও আজ থেকে আসতে দিবো না!!
সুমাইয়াঃ- একসময় তো ঠিকই করবি!আমকে ছাড়া আদর করবি কাকে আর!!
আমিঃ- কেনো তিশা আছে না!! (বলেই রুম থেকে বেড়িয়ে নিচে চলে আসলাম)
আর পিছন থেকে রাগে জ্বলে-পুড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছিল!!
রাতে খাওয়া-দাওয়া করে চলে আসলাম রুমে!! সুমাইয়া রেগে আছে তাই ও আসার আগেই ঘুমের ভান ধরে পড়ে রইলাম!!
কিছুক্ষণ পর সুমাইয়া এসে কিছু না বলে চুপচাপ আমার বুকে মাথা দিয়ে গুমিয়ে গেলো!!
এভাবে কেটে গেলো দুইমাস!! পরিক্ষাও শেষ হয়ে গেলো!! আমাদের ক্লাসমেইটরা সবাই মিলে ঠিক করলো একটা পার্টি দিবে সবাই মিলে!! কলেজে সবার সাথে শেষবারের মতো মজা করার জন্য আরকি!!
সন্ধ্যায় আমি আর সুমাইয়া রেডি হয়ে চলে গেলাম সেখানে!! পার্টি চলতে ছিলো!আমি আমার ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলছিলাম তখনই সুমাইয়া এসে আমার পাশে বসলো একটা কিউট বেবি কোলে নিয়ে!!
আমিঃ- কিরে কার বেবি নিয়ে এসেছিস!!
সুমাইয়াঃ- আমারই একটা ফ্রেন্ডের মেয়ে!! দেখ কতো কিউট বেবিটা!!
আমিঃ- হুম!! তা তুই বেবিটা কে নিয়ে ঘুরতেছিস কেনো!!
সুমাইয়াঃ- আমার অনেক পছন্দ হয়েছে বেবিটা তাই নিয়ে রেখেছি!!
আমিঃ- তুই এখনো সেই পিচ্চিই রয়ে গেলি!!
কিছু না বলে সুমাইয়া আবার চলে গেলো!! পার্টি শেষ করে বাসায় আসার সময় দেখি সুমাইয়া মন খারাপ করে বসে আছে!! কিছু না বলে বাসায় চলে আসলাম!!রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি সুমাইয়া এখনো মন খারাপ করে বসে আছে!! তাই জিঙ্গেস করলাম!!
আমিঃ- কিরে এভাবে মন খারাপ করে বসে আছিস কেনো..??
সুমাইয়াঃ- বেবিটা কতো কিউট তাই না!! জানিস বেবিটাকে ছেড়ে আসতে মন চায় নি!!
আমিঃ- তো অন্যার মেয়েকে নিয়ে আসবি কিভাবে!!
সুমাইয়া- হুম তাও ঠিক!! আচ্ছা আমার একটা বেবি লাগবে!!আর আজকেই তুই আমাকে দিবি!!
আমিঃ- মানে..?? এত রাতে বেবি পাবো কোথায় থেকে!!
সুমাইয়াঃ- কুত্তা আমি তোকে বলতেছি আমি মা হবো আর তুই সেটাতে আমাকে হেল্প করবি!!
আমিঃ- ঐ তোর বয়স কতো যে তুই মা হবি!! পিচ্চি মেয়ে একটা!!
সুমাইয়াঃ-ঐ বেশি কথা না বলে আমাকে হেল্প করবি কি না বল!!
আমিঃ- না!! বয়স হোক তোর তখন মা হইস!!
সুমাইয়াঃ- দেখ শেষবারের মতো বলছি!!দিবি কি না বল নাহলে আমি এখনি আমাদের বাসায় চলে যাবো!!
আমিঃ- চলে যা তারপরেও আমি রাজি না!! আর তুই তো ভার্সিটিতে উঠবি কয়েকদিন পর এখন এসব চিন্তা বাদ দিয়ে ঘুমা!
সুমাইয়া আর কিছু না বলে ওর ব্যাগ গুছাতে লাগলো!! আমি ওর পাগলামি গুলো দেখতে লাগলাম!!
ঐ বেবিটা দেখার পর কি যে হলো ওর আল্লাই জানে!! মা হতে উঠে পড়ে লেগেছে ।। এসব ভাবছিলাম তখনই দেখি ওর ব্যাগ গুছানো শেষ!!
যখনই রুমের দরজা খুলতে যাবে তখনই ওর হাতটা ধরে ফেললাম!!ওকে বেড়ুতে দেওয়া যাবে না!!
আমিঃ- সুমাইয়া কি হয়েছে তোর এরকম করছিস কেনো!! তুই মাত্র কলেজ লাইফ শেষ করেছিস এখনই বেবি নিয়ে কি করবি তুই!!
সুমাইয়াঃ- আমার একটা বেবি লাগবে!! তুই দিবি কি না বল!!নাহলে ছাড় আমাকে আমি এখনি চলে যাবো!!
আমিঃ- মা হওয়া এতো সোজা না আরো একবার ভেবে দেখ!! পরে আমাকে বলতে পারবি না বলে দিলাম!!
সুমাইয়া অবাক হয়ে আমার দিকে তাকায়!! তারপর ওর হাতের ব্যাগটা ফেলে দিয়ে এক লাফে আমার কোলে উঠে যায়!! তারপর আর কিছু বলার আগেই আমার ঠোটগুলো নিজের ঠোট দিয়ে বন্ধ করে দিলো!!
-----+++++++---------**---+-
দুই বছর পর কেটে গেলো!! আমাদের সংসার এর!! আর ছোট একটা বেবিও আছে আমাদের!!
আজলে সুমাইয়া ভার্সিটিতে যায় নি!!তাই বিকেলে ভার্সিটি থেকে ফিরে এসে দেখি সুমাইয়া রুমে একা বসে আছে!!
আমিঃ- কিরে তুই একা বসে আছিস বাবু কই!!
সুমাইয়াঃ- বাবুকে আম্মুর কাছে দিয়ে এসেছি সামলাতে !!
আমিঃ- কেনো!!
সুমাইয়াঃ- আম্মু আমাদের বাবুকে সামলাবে আর আমি আম্মুর বাবুকে সামলাবো!! কোনটা বলিস!!
আমিঃ- তোর মলতবটা ভালো লাগতেছে না!!
সুমাইয়াঃ- ভালো লাগা লাগবে না!! (বলেই ধাক্কা মেরে খাটে ফেলে দেয়!!)
তারপর আর কিছু বলার মতো রইলো না তাই গল্পটা এখানেই শেষ করে দেই!!!
বিঃদ্রঃ.. সুমাইয়া এবং তিশা নামের কোনো.. মেয়েকে চিনি না.. এই গল্প নিয়ে আমার মোট ১৫ টা গল্প লিখা হলোঃ..l।
🙈 # _______চলবে_না____দৌড়াবে_না_______🙈
সবাই নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন
আমার পেজ লিঙ্ক-সবাই পেজে একটি লাইক দেন 👇
https://www.facebook.com/profile.php?id=100088701842423&mibextid=ZbWKwL
❤....গল্পটি কেমন হয়তেছে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না...আর যদি মনে হয়..আপনি গল্পটি অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিবেন......❤
📲তাহলে শেয়ায় করুন 📲
(...পরবর্তী গল্পের জন্য অপেক্ষা করুন.. ধন্যবাদ...)