Cricket Lords Association

Cricket Lords Association পৃথিবীর সেরা ক্রিকেটার জোকার ইকবাল!

এসেছে নতুন জোকার! ডটবাবা স্বমন্বয়ক জোকার ইকবালের ছোট ভাই! গোল্ডেন ভ্যাজাইনা বয়! হৃদয় "দ্যা এটিটুড বয়" ২০২ রানের টার্গেটে...
28/05/2025

এসেছে নতুন জোকার! ডটবাবা স্বমন্বয়ক জোকার ইকবালের ছোট ভাই! গোল্ডেন ভ্যাজাইনা বয়! হৃদয় "দ্যা এটিটুড বয়" ২০২ রানের টার্গেটে নেমে ৭৭ স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করে! লিটনের ঘাড়ে প্রেসার দিয়ে লিটনকে আউট করলো! ম্যাচ হারালো! আজকের ম্যাচা ম্যান অব দ্যা ম্যাচ জোকার ইকবালের ভাই নতুন জোকার ভ্যাজাইনা হৃদয়! এই চোদুরে আবার কিছু বললে সমস্যা হবে কারন এই চোদু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আবার স্বমন্বয়ক জোকার ইকবালের ছোট ভাই!

ছাগল চড়িয়ে বেড়ানো বালক, যার দাদাকে ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সার্বরা হত্যা করে এবং তাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এরপর র...
22/05/2025

ছাগল চড়িয়ে বেড়ানো বালক, যার দাদাকে ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সার্বরা হত্যা করে এবং তাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এরপর রিফিউজি হয়ে ঘুরে বেড়ানো। বোমা, গুলি, রক্ত আর ধংসের বাস্তবতার মাঝে ফুটবলই ছিল তার কাছে মুক্তির পথ। লুকা মদ্রিচ আশ্রয় নিয়েছিলেন ফুটবলেই।

এরপর একদিন জোসে মরিনহো তাকে মাদ্রিদে নিয়ে এলেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের টটেনহ্যাম থেকে এসে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের নিউ গ্যালাকটিকোয় খাবি খেতে লাগলেন। প্রথম মৌসুমে তো লা লিগার সবচেয়ে বাজে সাইনিংয়ের তকমাও পেলেন।

কিন্তু মরিনহো সেদিন পাশে ছিলেন। আশ্বস্ত করেছিলেন, 'একদিন এই ছেলেকে ভালোবাসতে বাধ্য হবে তোমরা।' পাকা জহুরি মরিনহো সঠিক রত্নই তুলে এনেছিলেন।

১৩ বছর পর যখন মাদ্রিদ ছাড়ছেন, তিনি কিংবদন্তি। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার। ক্রোয়েশিয়ার গ্রেটেস্ট এভার। মাদ্রিদের জার্সিতে ছয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা, তার থেকে বেশি শিরোপা আছে শুধু এসি মিলান আর রিয়াল মাদ্রিদের। বায়ার্ন মিউনিখ আর লিভারপুলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ তার সমান। বার্সেলোনা তার চেয়ে একটা কম জিতেছে।

দেশকে একবার বিশ্বকাপ ফাইনালে তুলেছেন। শিরোপা ছুঁতে পারেননি, তবে তার দেশের জন্য ফাইনাল খেলাটাই বিশাল ঘটনা। আরেকবার সেমিফাইনালেও তুলেছেন। মেসি-রোনালদোর ব্যালন ড'র রাজত্বে ছেদ টানা প্রথম খেলোয়াড় হয়েছেন।

সবচেয়ে বড় কথা, মদ্রিচ যখন মাদ্রিদ ছাড়ছেন তখন তার প্রতিদ্বন্দ্বিরাও দুঃখ ভারাক্রান্ত। লুকিতাকে তারাও ভালোবাসে।

Best of luck Shakib al hasan. Eagerly waiting to see you lifting the trophy.
18/05/2025

Best of luck Shakib al hasan. Eagerly waiting to see you lifting the trophy.

সেদিন ১৭ই মে ১৯৯৮!১৯৮৬ সালে প্রথম ওয়ানডেতে খেলার পর থেকে দীর্ঘ ১২ বছর পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশ জয়ের দেখা পায়নি! ভারতের মাঠ...
17/05/2025

সেদিন ১৭ই মে ১৯৯৮!
১৯৮৬ সালে প্রথম ওয়ানডেতে খেলার পর থেকে দীর্ঘ ১২ বছর পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশ জয়ের দেখা পায়নি!

ভারতের মাঠে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ বনাম কেনিয়ার সেই ম্যাচে যখন আগে ব্যাটিং করে কেনিয়া ২৩৭ রান তুলেছিলো সেদিনও কেউই জয়ের আশা করেনি! আমার এখনো মনে আছে আমার বাবা সেদিন বলেছিলো "এই ম্যাচ আমরা জিতবো" আমাদের ঘরে টিভি ছিলো না! বাবা-ছেলে রেডিওতে খেলার ধারাভাষ্য শুনছিলাম!

সেদিন আতহার আর রফিক আমাদের বাবা-ছেলেকে হতাশ করেননি!

রফিককে যারা ৭৭ নাম্বার জার্সি পরে খেলতে দেখেছেন তারা কি জানেন সেদিনের সেই ম্যাচের আগে তার জার্সি নাম্বার ৭৭ ছিলো না! আতহার ছিলেন নিয়মিত ওপেনার আর রফিক ছিলেন মেইক শিফট ওপেনার! রফিক ৮৯ বলে ৭৭ এবং আতহার আলীর ৯১ বলে ৪৭ রানের সুবাদে বাংলাদেশ ১৩৭ রানের ওপেনিং জুটি গড়ে! এই জুটিতে ভর করে বাংলাদেশ ম্যাচ জেতে ৬ উইকেট এবং ১২ বল হাতে রেখেই।

সেদিন ব্যাট হাতে মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ২২ বলে ১৪ রান করেন! ক্যাপ্টেন আকরাম খান ৫১ বলে ৩৯ করে আউট হলেও আমিনুল ইসলাম ৪১ বলে ২০ রান ও নাঈমুর রহমান দূর্জয় ৪ রানে অপরাজিত থাকেন!

বল হাতে সেদিন পেসার হাসিবুল হাসান শান্ত ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে উইকেট না পেলেও! মোর্শেদ আলী খান ২৬ রানে ১ উইকেট, খালেদ মাহমুদ ৩৮ রানে ২ উইকেট, এনামুল হক মনি ৪৫ রানে ২ উইকেট এবং মোহাম্মদ রফিক ৫৬ রানে ৩ উইকেট লাভ করেন!

সেদিন বল হাতে ৩ উইকেট আর ব্যাট হাতে ৭৭ রানের জন্য ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয়েছিলেন মোহাম্মদ রফিক!

প্রথম ওয়ানডে জয়ের সেই দলের সব সদস্যদের অন্তরের অন্তস্তল থেকে ধন্যবাদ জানাই!

পৃথিবীর সেরা ক্রিকেটার জোকার ইকবাল একজন জীবন্ত কিংবদন্তি! এই পর্যন্ত ৩ ফরম্যাট মিলিয়ে ব্যাট হাতে ৭৬০০০ রান করেছেন! যার ম...
13/05/2025

পৃথিবীর সেরা ক্রিকেটার জোকার ইকবাল একজন জীবন্ত কিংবদন্তি!

এই পর্যন্ত ৩ ফরম্যাট মিলিয়ে ব্যাট হাতে ৭৬০০০ রান করেছেন! যার মধ্য ছিলো ১টি ৫০০ রানের ইনিংস, ৫ টা ৪০০ রানের ইনিংস, ১৫টি ৩০০ রানের ইনিংস, ৪০ টি ২০০ রানের এবং ২৭৪ টি ১০০+ রানের ইনিংস!

জোকার ইকবাল পৃথিবীর একমাত্র ক্রিকেটার যার টেস্ট সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ৫৭৬* রানের!
ওডিআই ৩৮১* রানের!
টি২০ ২৯৬* রানের!

বল হাতে সর্বোচ্চ ৯৬ বার একাই প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট নেয়া, ৩০০ বার ৫ বা তার বেশি উইকেট নেয়ার মাধ্যমে ৬০০০ উইকেট লাভ করেছেন!

জোকার ইকবালের টেস্ট ইনিংসে সেরা বোলিং ফিগার ১৯-১৯-০০-১০, ম্যাচে ৩৯-৩৯-০০-২০!
ওডিআই ৯-৯-০০-১০!
টি২০ ৪-৩-১-১০!

বল ও ব্যাটের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও ছিলেন অনবদ্য! এই পর্যন্ত প্রায় ১৭০০০ ক্যাচ ধরেছেন এবং ২১০০ রান আউট করেছেন (সরাসরি থ্রো)।

তাই পৃথিবীর সকল ক্রিকেট বোদ্ধার মতে জোকার ইকবালই পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ক্রিকেটার!

বাঙ্গু ছাগু সমাজের গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১শ কোটি সাকিব মিলেও একজন জোকার তামিমের সমকক্ষ হতে পারবে না!!

18/03/2024

পারভেজ হোসাইন ঈমন। একজন ওপেনার হয়েও ক্যাপ্টেনকে স্লট ছেড়ে দিয়ে ৫ নাম্বারে ব্যাটিং করতে হচ্ছিলো! যার স্পষ্ট প্রভাব ওর খেলায় পড়ছিলো, রান পাচ্ছিলো না৷ একদিন ওর ক্যাপ্টেন ট্রাফিক জ্যামে আটকে যাওয়ায় ওপেন করার সুযোগ আসে, সেদিনই সেঞ্চুরি করলো! পরের ম্যাচেই আবারও সেঞ্চুরি করলো!!

শাহাদাত হোসেন দিপু।
আন্ডার নাইনটিন ওয়ার্ল্ডকাপ থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে, সদ্য শেষ হওয়া বিপিএলেও ভালো টাচে ছিলো। ঈমনের সাথে ওপেন করে সেও সেঞ্চুরি করলো কিন্তু পরের ম্যাচেই ক্যাপ্টেনকে ওপেনিং স্লট ছেড়ে দিতে হলো।

শুধুমাত্র ক্যাপ্টেন্সির ক্ষমতায় গত ম্যাচেই সেঞ্চুরি করা ব্যাটারকে ৬ নাম্বারে ব্যাটিং করতে বাধ্য করে নিজে ওপেন করলেন ১১ বলে কোনও ভাবে ৬ রান করে ফিরে আসলেন। ১১, ১৭, ৬ 😂

আরও একটা গল্প বলি
২০১৯ সাল সৌম্য ভালোই টাচে ছিলো, ৬৯ রানের ইনিংস খেলার পরের ম্যাচেই ছেলেটাকে ৭ নম্বরে নামিয়ে দেয়া হলো। কোনওদিন ৩ এ তো পরের ম্যাচে ৪ এ আবার ৫ এ কিংবা ৭ এ ফলাফল ছেলেটা ব্যর্থতার বোঝা নিয়ে ৩ বছর দলের বাইরে।
এই লিস্ট শেষ হবার না! জুনায়েদ ইমরোজ সিদ্দিকী, জহিরুল ইসলাম অমি, ইমরুল কায়েস, সৌম্য, এনামুল হক বিজয়, আফিফ হোসেন ধ্রুব তো কোনওদিন নিজের প্রিয় পজিশনে ব্যাট করার সুযোগই পায়নি।
শুধুমাত্র একজন প্লেয়ারের ক্যারিয়ার গ্লোরিফাই করতে গিয়ে কতগুলো ছেলের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে গেছে। একজন সো কলড দেশ সেরা ওপেনার তৈরি করতে গিয়ে কতগুলো ওপেনার নিরবে কাদতে কাদতে হারিয়ে গেছে। হাথুরু দ্বিতীয় মেয়াদে কোচ হয়ে না আসলে সৌম্যকেও হারিয়ে ফেলেছিলাম। জাতীয় দলে তো সাপের মতো ওপেনিং পজিশন ১৬ বছর আকড়ে ধরে পড়েছিলো এখন ঘরোয়া লীগে কি একটু পজিশন টা স্যাক্রিফাইস করা যায় না? ওপেনিং স্লট টা কি খান পরিবার রেজিষ্ট্রেশন করে কিনে নিয়েছে নাকি? সব ফরম্যাটে, সব ধরনের টুর্নামেন্টে ঐ ওপেনিং পজিশন টা কামড়ে ধরে থাকাই লাগবে?? এই এক ডিপিএল ছাড়া আমাদের আর কোনো টুর্নামেন্ট আছে? তরুন পোলাপান গুলা কিভাবে শিখবে? কিভাবে নিজেদের প্রমান করবে? এই দেশে কি কেউ নাই দেখার? আর কতগুলী ওপেনারের ক্যারিয়ার ধ্বংস হলে উনি শান্ত হবেন? শচীন, গাঙ্গুলি, গিলক্রিস্ট রা কি ওপেনিং ছেড়ে নিচে নামেনি? গেইল কি ৩/৪ এ খেলেনি? এই লোক কি শচিন সৌরভ দের থেকেও ভালো প্লেয়ার?
"আমারে মনে রাইখেন, ভুলে যাইয়েন না" ভাই বিশ্বাস কর তোরে সবাই ভুইলা গেলেও ইমরুল, জহিরুল, জুনায়েদ, বিজয়, সৌম্যরা ভুলবে না। আল্লাহর দোহাই লাগে ভাই এইবার অন্তত ঐ পজিশন টা পোলাপান রে ছাইরা দে ভাই। আমরা সারাজীবন ওপেনার সংকটে কাটাইছি ভবিষ্যতের ওপেনারগুলোরে শেষ করিস না।

(এই পোস্ট দেখে তার মুরিদ কিছু মাথামোটা গর্দভ কমেন্ট বক্সে এসে নিজেদের বংশ পরিচয় রেখে যাবে)

Address

10/C Al Muteena, Deira, Dubai
Hor Al Anz
00000

Telephone

+8801645757606

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cricket Lords Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category